আপনি ৬টি উপায়ে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে অর্থোপার্জন করতে পারেন

ইন্টারনেট মানে সফটওয়্যার দুনিয়া আপনি ফেসবুক ব্যবহার করছেন ইউটিউব ব্যবহার করছেন এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট ব্যবহার করছেন এন্টারটেইনমেন্ট নিচ্ছেন বিভিন্ন বিষয় শিখছেন আপনার ফিলিংস শেয়ার করছেন বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করছেন এছাড়া বিভিন্ন খবর পড়ার মাধ্যমে নিজেকে আপডেটেড রাখতে পারছেন। এই যে ওয়েবসাইট ইউটিউব ফেসবুকে আপনি ভিজিট করছেন এগুলো সবগুলো কিন্তু সফটওয়্যার।

তাই বর্তমান সময়ে কোনো একটি সফটওয়্যার এর ব্যবহারে আপনি নিজেকে যদি পারদর্শী করে নিতে পারেন তাহলে সেই দক্ষতা দ্বারা অনলাইনে আপনি একটি দারুণ ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারেন।

আপনার জানা দক্ষতা বা স্কিলটিকে আপনি সার্ভিস হিসেবে আপনার কাস্টমারদের কে অফার করতে পারেন এবং বিভিন্ন কোম্পানিকে অথবা বিভিন্ন মানুষকে সহযোগিতা করার মাধ্যমে আপনি একটি ফ্রীলান্স ক্যারিয়ার, অনলাইন ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারেন।

আজকে আমি আপনাকে বলব ওয়াডপ্রেস সফটওয়্যারটি ব্যবহার শিখে নেওয়ার মাধ্যমে কি কি উপায়ে অনলাইনে আপনি কি ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারেন।

তবে তার আগে চলুন আপনাকে বলে দেই ওয়াডপ্রেস সফটওয়্যার টি আসলে কি?

ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট তৈরি করার একটি সফটওয়্যার।

এই ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়্যার কে ব্যবহার করে আপনি যে কোন প্রতিষ্ঠানের জন্যই ইন্টারন্যাশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন।

একটা ওয়েবসাইটের জন্য যেই যেই ফিচার প্রয়োজন হতে পারে সে সব ধরনের ফিচার বা ফাংশনালিটি ওয়াডপ্রেস সফটওয়্যার মাধ্যমে যুক্ত করা যায়।

একারণেই ওয়ার্ডপ্রেসের চাহিদা পুরো পৃথিবীতে অন্যান্য সমস্ত সফটওয়্যার বা প্ল্যাটফর্ম এর চেয়েও সবচেয়ে বেশি।

এবং ফ্রিল্যান্সিং যে মার্কেটপ্লেসগুলো আছে যেমন upwork.com, freelancer.com, fiver.com, এই মার্কেটপ্লেসগুলোতে ওয়ার্ডপ্রেস রিলেটেড কাজের পরিমাণ অনেক বেশি।

আপনি যদি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ওয়েব ডিজাইন ইন্ডাস্ট্রিতে ক্যারিয়ার গড়তে চান তবে ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন শিখলে আপনার জীবন বদলে যাবে।

বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে লক্ষ লক্ষ ওয়েব ডেভলপার ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট তৈরী করে দেয়ার মাধ্যমে খুবই হ্যান্ডসাম ক্যারিয়ার ডেভলপ করছে অনলাইনে।

চলুন কথা না বাড়িয়ে এই ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়্যারটির মাধ্যমে কি কি উপায়ে অনলাইনে ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারেন সে উপায়গুলো আমি এখন আপনাকে বলে দিচ্ছি।

১/কাস্টম ডিজাইন ওয়েবসাইট তৈরি করে দেয়া

বিভিন্ন ক্লায়েন্ট এবং কোম্পানির জন্য কাস্টম ডিজাইন ওয়েবসাইট তৈরি করে দেয়ার মাধ্যমে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে দারুন একটি ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারেন।

  • এবং তার জন্য আপনাকে যে বিষয় গুলো শিখতে হবে সেই বিষয়গুলো হচ্ছে
    1. এইচটিএমএল

    2. সিএসএস

    3. যেকিউরি

    4. জাভাস্ক্রিপ্ট

    5. পিএইচপি

    6. মাইএসকিউএল

    7. ওয়ার্ডপ্রেস ফাংশনস ফিল্টার হোক্স

এই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ গুলো শিখে নেয়ার পর আপনি যেকোন ক্লায়েন্ট বা কোম্পানির জন্য কাস্টম ডিজাইন ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলতে পারবেন।

এবং এর কাস্টম ওয়েব সাইট ডিজাইন স্কিল টাকে সার্ভিস হিসেবে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস যেমনঃ freelancer.com আপন ডটকম upwork.com fiverr.com এই ধরনের মার্কেটপ্লেসে আপনি সেল করতে পারেন বিভিন্ন ক্লায়েন্টের কাছে এবং কোম্পানির কাছে। যেটার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

২/ আপনার নিজের ওয়াডপ্রেস প্রোডাক্ট তৈরি করা।

আপনি যদি অন্টরপেইনার হতে চান এবং কোন ক্লায়েন্ট বা কোম্পানির জন্য কাজ করতে চান না বরংচ আপনি নিজেই একটি বিজনেস তৈরি করতে চান একটি কোম্পানি শুরু করতে চান এবং নিজের প্রোডাক্ট আপনি ডেভলপ করতে চান তাহলে এই ওয়ার্ডপ্রেসকে ব্যবহার করে আপনি থিমস বা প্লাগিন ডেভলপ করতে পারেন।

অনলাইনে ওয়ার্ডপ্রেস প্রোডাক্ট এর অনেক চাহিদা যেমন থিমস প্লাগইন। সবচেয়ে জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস হচ্ছে themeforest.net।

এই মার্কেটপ্লেসে আপনার তৈরি করা প্রোডাক্ট গুলো কে আপনি সেল করতে পারেন এবং যখনই আপনার কোন প্রোডাক্ট মার্কেটপ্লেস থেকে বিক্রয় হবে প্রত্যেকটা বিক্রয়ের উপরে আপনি একটা কমিশন পাবেন।

themeforest.net ছাড়াও আরও জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস হচ্ছে ক্রিয়েটিভ মার্কেটপ্লেস।

যেখানে আপনার তৈরি করা ওয়ার্ডপ্রেস প্রোডাক্ট গুলা বিক্রয় করতে পারেন।

প্রোডাক্ট তৈরি করার সুবিধা হচ্ছে আপনি কোন ক্লাইন্ট বা কোম্পানির হয়ে কাজ করবেন না আপনার প্রোডাক্ট গুলো মার্কেটপ্লেসে মাধ্যমে আপনি সেল করবেন বিভিন্ন কাস্টমারের কাছে।

আপনাকে জানিয়ে রাখছি! যে কোন প্রোডাক্ট আপনি কেবলমাত্র একবার তৈরি করবেন আর সেটি আজীবন সেল হতে থাকলে আজীবনই আপনি ইনকাম করতে পারবেন। এখান থেকে আপনি প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারবেন।

ওয়ার্ডপ্রেস প্রোডাক্ট যেমন প্রিমিয়াম থিম প্রিমিয়াম প্লাগিন তৈরি করার মাধ্যমে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে অনলাইনে দারুন একটি ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারেন এবং এর জন্য প্রিভিয়াসলি বলা স্কিল গুলো আপনাকে শিখতে হবে।

৩/ ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়্যার সার্ভিস।

কোন কারণে যদি আপনি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শিখতে না পারেন আপনার কাছে কঠিন মনে হয় তার পরেও আপনি ওয়ার্ডপ্রেস কে ব্যবহার করে দারুণ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন বিভিন্ন প্রিমিয়াম থিম এবং প্রিমিয়াম প্লাগিনের ব্যবহার শিখে নেয়ার মাধ্যমে।

ওয়ার্ডপ্রেসের সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে এটা দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আপনাকে প্রোগ্রামিং শিখতে হবে এমন কোন কথা নেই।

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়্যার এর বিভিন্ন প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগিন ব্যবহার শিখে নেয়ার মাধ্যমে আপনি প্রফেশনাল মানের ওয়েব সাইট তৈরি করে ফেলতে পারবেন বিভিন্ন ধরনের ক্লায়েন্ট এবং কোম্পানির জন্য।

পুরো ওয়ার্ল্ডে এমন লক্ষ কোটি মানুষ আছে যাদের ওয়েবসাইট প্রয়োজন কিন্তু তাদের টেকনিক্যাল নলেজ নাই।
যেমন ধরেন একজন ডক্টর! একজন ডক্টর কিন্তু মেডিকেল সাইন্সে পারদর্শী। সে জানে যে মানুষের কিভাবে ট্রিটমেন্ট করতে হয়। সে কিন্তু সফটওয়্যার এর ব্যবহার জানে না। সো, আপনি সেই ডক্টর কে সাহায্য করতে পারেন তার জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে দিয়ে।

ঠিক একজন ডক্টর যে রকম সাহায্য করছে আপনাকে স্বাস্থ্য সম্পর্কে সাহায্য করার মাধ্যমে।

ঠিক আপনিও তাকে তার জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করে দেয়ার মাধ্যমে তার কাছ থেকে আর্নিং করতে পারবেন।

তবে এখানে আপনার প্রশ্ন আসবে!
সেটা হচ্ছে, যদি কোডিং না শিখেই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে ওয়েব সাইট তৈরি করা হয় তাহলে কোডিং শেখার প্রয়োজন কি?

উত্তরঃ এর উত্তর হচ্ছে প্রোগ্রামিং শিখলে আপনি নিজে ওয়ার্ডপ্রেস প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারবেন যেটা দ্বারা আপনার রয়ালটি আর্নিং করতে পারবেন।

এর মানে হচ্ছে আপনি একটি প্রোডাক্ট তৈরি করবেন এবং সেটা যত বার বিক্রি হবে সেটা থেকে ততবার আর্নিং হতেই থাকবে।

এছাড়াও কিছু কিছু কোম্পানি আছে যাদের অনেক বাজেট থাকে। তারা রেডিমেড প্রিমিয়াম থিম গুলো ব্যাবহার করে না। তারা কাস্টম ডিজাইনারদের কে দিয়ে সফটওয়্যার ডিজাইন করিয়ে নেয় এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামার দেরকে দিয়ে ডিজাইন করা ওয়েবসাইটটিকে ডেভলপ করিয়ে নেয়।

ওই প্রজেক্টগুলোর ডিমান্ড অনেক বেশি থাকে $500 $1000 $2000 ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায় ওই ধরণের প্রজেক্ট করার মাধ্যমে। মানে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং করলে আপনি এইধরনের বড় বড় প্রজেক্ট গুলোতে কাজ করতে পারবেন।

কিন্তু এই পুরো পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ কোম্পানির ওয়েবসাইট লঞ্চ হচ্ছে যাদের এত হাজার হাজার ডলার বাজেট থাকে না একটা কাস্টম ডিজাইন ওয়েবসাইট তৈরি করার কম্পিউটার প্রোগ্রামার দেরকে হায়ার করে।

যার জন্য তারা ওয়ার্ডপ্রেসের যে প্রিমিয়াম থিম গুলো আছে যে থিম গুলো 50 – 60 ডলার অথবা 100 ডলারের মধ্যে বাজারে কিনতে পাওয়া যায় সেগুলো ক্রয় করার মাধ্যমে তাদের ওয়েবসাইট গুলো তৈরি করে
নেয়।

এবং অনেকাংশে দেখা যায় ওই কোম্পানির সিইও বা যারা মালিক বা এডমিন যারা সেটা শুরু করছে তাদের সফটওয়্যার রিলেটেড কোন অভিজ্ঞতা নাই। কিন্তু তাদের ওয়েবসাইট লাগবে।

তখন যারা ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়্যার এর প্রিমিয়াম, ফ্রি প্লাগ-ইন গুলোর ব্যবহার জানে তাদেরকে অনলাইনে তারা হায়ার করে নেয় এবং তাদেরকে দিয়ে করিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি অথবা ওয়েবসাইট ডিজাইন করিয়ে নেন। ধরুন প্রিমিয়াম থিমটি কিনেছে 60 ডোলারে এবং আপনাকে 100 ডলার দিয়ে তাদের ওয়েবসাইট সম্পূর্ণ তৈরি অথবা ওয়েবসাইট ডিজাইন করিয়ে নিলো তবুও 160 ডলার এর মধ্যে তাঁর ওয়েবসাইট কমপ্লিট।

কিন্তু একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার কে দিয়ে যদি সে কাস্টম ডিজাইন করে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাই তাহলে ডিজাইন সহ ডেভলপমেন্ট দুইটা মিলিয়ে তার দুই থেকে তিন হাজার ডলার এর মতো খরচ হবে ।

এই দুই থেকে তিন হাজার ডলার খরচ করার মত বাজেট অনেক কোম্পানির থাকে না ।বেশিরভাগ কোম্পানির দেখা যায় দুইশ আড়াইশো তিনশো ডলার বাজেট থাকে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য।

আর তারাই প্রিমিয়াম থিম গুলো কিনে নেয় এবং আপনার আমার মত যারা ফ্রিল্যান্সার আছে যারা ওয়ার্ডপ্রেসে খুব এক্সপার্ট তাদেরকে হায়ার করে তাদের কোম্পানির জন্য ওয়েবসাইট ডেভলপ করিয়ে নেয়।

সো, আপনি যদি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং যেকোনো কারণেই হোক শিখতে যদি না পারেন, আপনার কাছে যদি কঠিন মনে হয় তারপরও আপনি ওয়ার্ডপ্রেস এর প্রিমিয়াম ফ্রি প্লাগ-ইন গুলোর ব্যবহার খুব ভালোভাবে শিখে নিতে পারলে সেই ধরনের কোম্পানিগুলোকে আপনি সহযোগিতা করার মাধ্যমে অনলাইনে একটা বেস্ট ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারেন।

আমি দুইটাই পারি ,কম্পিউটার প্রোগ্রামিং পারি, কাস্টম ডেভলপমেন্ট করতে পারি, আর সফট্ওয়ারেস ব্যবহারিকতো পারিই। অর্থাৎ প্রোগ্রামিং করতে পারলে আপনি দুইটাই পারবেন।

আর যদি কোনো ধরনের প্রোগ্রামিং করতে না পারেন তাহলে ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যবহার আপনি শিখে নিতে পারেন এবং সেটা দ্বারা অনলাইন হতে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করার পাশাপাশি সুন্দর একটি ক্যারিয়ার গঠন করতে পারবেন।

৪/ টিচিং আদার্স।

আপনি স্টুডেন্টদেরকে ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে সহযোগিতা করার মাধ্যমে আপনি করতে পারবেন।

সবচেয়ে বড় এক্সাম্পল হচ্ছে আপনার কথা চিন্তা করুন, আপনি বিভিন্ন বিষয়ের উপরে বিভিন্ন টিচারের কাছে পড়ে থাকেন যেমনঃ ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ইংলিশ তারা বিষয়গুলোতে অভিজ্ঞ এবং আপনাকে এগুলো শিখতে সহযোগিতা করছে, আর তা থেকে আমাদের টিচাররা অর্থ উপার্জন করে থাকে।

ঠিক তেমনি ভাবে আপনি একজন টিচার হিসাবে স্টুডেন্টদেরকে সহযোগিতা করতে পারেন এবং সেখানোর বিনিময় আপনি আর্নিং করতে পারেন।

এই কাজটি আপনি দুইভাবে করতে পারেন। আপনার বাসায়, স্টুডেন্টের বাসায় বা কোথাও একটা স্পেসে আপনি বিভিন্ন স্টুডেন্টদেরকে ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে সহযোগিতা করতে পারেন যেন তারা “ওয়ার্ডপ্রেস শিখে ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারেন”।

এছাড়াও এখন ইউটিউব আছে, আপনি চাইলে ইউটিউব এর মাধ্যমে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষ কে শেখাতে পারেন এ সফটওয়্যার গুলোর ব্যবহার। যার মাধ্যমে আপনি ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারবেন।

ইউটিউব কে ব্যবহার করে কিভাবে ক্যারিয়ার ডেভলপ করা যায় সেটার একটি পোস্ট আমি পাবলিশ করেছি “সেটি পড়ে নিতে পারেন”।
সো, একজন টিচার হিসেবে আপনি ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারেন, ইউটিউব কে ব্যবহার করার মাধ্যমে বা সরাসরি আপনার এই স্টুডেন্টদেরকে সহযোগিতা করার মাধ্যমে।

/ ব্লগ লিখে আয় করা

ওয়াডপ্রেস সফটওয়্যারটি ব্যবহার করার মাধ্যমে অনলাইনে একটি ক্যারিয়ার গড়ে তোলার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজ পদ্ধতি হচ্ছে ব্লগিং।

আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে আপনার নিজের জন্য একটি ওয়েবসাইট সেটাপ করে নিতে পারেন। এবং সেখানে আপনার জানা বিষয়গুলো নিয়ে লেখালেখি করার মাধ্যমে ব্লগিং করতে পারেন।

ব্লগিং করে কি কি উপায়ে ক্যারিয়ার ডেভলপ করা যায় এই পোস্ট পড়ে আসতে পারেন। তাহলে বুঝতে পারবেন যে ব্লগিং করে কি কি উপায়ে আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন।

অনলাইন জগতে এবং পুরো বিশ্বে লক্ষ লক্ষ ব্লগার আছে যারা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করার মাধ্যমে দারুন ক্যারিয়ার ডেভলপ করেছে।

লেখালেখি যদি আপনার ভাল লাগে আর লেখালেখি অথবা কনটেন্ট রাইটিং কে আপনি যদি আপনার প্রফেশন হিসেবে নিতে চান তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগের জন্য একটি আদর্শ সফটওয়্যার এবং একটি সুন্দর ও সহজ প্ল্যাটফর্ম ।

৬/ ফিক্সড জব।

অনলাইনে অনেক অনেক কোম্পানি আছে যারা ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের কে হায়ার করে তাদের প্রতিষ্ঠান ওয়েবসাইটগুলোকে মেন্টেন করার জন্য।

অনেকগুলো কোম্পানি দেখবেন তাদের অনেকগুলো ওয়েবসাইট থাকে।
আপনি বিভিন্ন কোম্পানিতে দেখবেন তারা গ্রুপ অফ কোম্পানি, দশটা পনেরোটা কম্পানি। তো একই কোম্পানির 10 থেকে 20 টা পর্যন্ত ওয়েব সাইট থাকে এবং এই 10 – 15 বিষটা কোম্পানির 10 – 15 ওয়েবসাইট।

তবে এতগুলো ওয়েবসাইট একটি কোম্পানির একার পক্ষে চালানো সম্ভব না। সেই ধরনের কোম্পানিগুলোতে আইডি আপনি আইটি এক্সিকিউটিভ হিসেবে জয়েন করতে পারেন এবং তাদের হয়ে তাদের সমস্ত ওয়েবসাইটগুলোকে মেন্টেনস করতে পারেন।

তাদের ওয়েবসাইটে নতুন করে কিছু যুক্ত করা, নতুন কোন প্রোডাক্ট সার্ভিস আসলে সেটা সম্পর্কে কনটেন্ট পাবলিশ করা, নতুন কোন ফিচার যুক্ত করা এ বিষয়গুলো নিয়ে আপনি এই ফিক্সড জব করতে পারেন।

অথবা fiver.com এ এই ধরনের বায়ার পাওয়া যায় আপনি চাইলে freelance.com এবং আপওয়ার্কে এই ধরনের জব নিতে পারেন।

এরকম অনেকেই আছে যারা ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ার শুরু করেছে, একটা সময় ক্লায়েন্টের সাথে খুব ভালো রিলেশন হয়ে গেছে, পরে তার ক্লাইন্ট তাকে তাদের কোম্পানিতে ফিক্সড জব দিয়েছেন। সো আপনার যদি ফিক্সড জব করতে ভালো লাগে তাহলে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন শিখে বিভিন্ন কোম্পানির এক্স্ট জব করতে পারেন।

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ার অনেক অপশন আছে। আপনার উপরে সম্পূর্ণ ডিপেন্ড করবে আপনি কোন উপায়ে আপনার জন্য আপনি কি ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে চান।

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এর জন্য এই বিষয়গুলো আমি খুব দ্রুত সেখানো শুরু করব। আশাকরি আপনি আমার সাথে এই ওয়েবসাইটের সাথে থাকবেন এবং বিষয়গুলো পড়ে শেয়ার করবেন। আবারও আপনার সাথে দেখা কথা হবে পরবর্তী পোস্টে।,,
ধন্যবাদ,,,,,

Leave a Comment