অনলাইনে কোন পেশাগুলোর আয় সবচেয়ে বেশী?

আজকে আমরা ইন্টারনেটের কিছু জনপ্রিয় জব আইডিয়া সম্পর্কে জানব।
যেগুলো চাইলে আপনি ঘরে বসেই শিখতে পারেন, ঘরে বসেই করতে পারেন।

আমাদের প্রত্যেকের জীবনে কোন না কোন কিছু করতে হয়। কেউ ব্যবসা-বাণিজ্য করতে চায় কেউ জব করতে চায়। যার যেটা ভালো লাগে সেটা করবে ।কিন্তু শুরুর দিকে আমরা বুঝতে পারি না যে কোন জবটা আমাদের জন্য সবচেয়ে বেশী ভালো এবং এছাড়া কি জব অপরচুনিটি রয়েছে, বিজনেস করতে চাইলে কি ধরনের ব্যবসায়িক অপরচুনিটি আমাদের কাছে রয়েছে বর্তমানে এগুলো সম্পর্কে আপনার কনফিউজ থাকে।

বিশেষ করে শুরুর দিকে যেকোনো একটি বা একাধিক বিষয়ে যারা এক্সপার্ট তারাও একটা সময় কিন্তু নরমাল ছিল। পরবর্তীতে কাজ করতে করতে তারা এক্সপার্ট হয়ে গেছে।

সো, আপনারও যারা কিছুটা কনফিউজড, বুঝতে পারছেন না যে কি ধরনের কাজ করা যেতে পারে কি কি অপরচুনিটি রয়েছে এই টিউটোরিয়াল আজকে বেসিক্যালি তাদের জন্য।

আজকের এই পোষ্ট এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে কিছু জব আইডিয়া সম্পর্কে আপনাদেরকে ধারণা দেয়া। তার মানে এই না যে আপনি কালকে থেকে জব করতে পারবেন।

এখান থেকে আপনি আইডিয়া নিতে পারবেন, যে কি কি অপশন আপনার কাছে রয়েছে এবং এগুলোর মধ্যে যেটা আপনার ভালো লাগে সেটাই করতে পারেন অথবা এখান থেকে আইডিয়া নিয়ে আরও একটু রিসার্চ করে যেটা ভালো লাগে সেটা আপনি করতে পারেন।

তবে চলুন আজকে আমরা আট থেকে দশটির মতো জনপ্রিয় কিছু ইন্টারনেটভিত্তিক জব আইডিয়া নিয়ে ডিসকাস করব।

প্রথমেই যে জবটি নিয়ে ডিসকাস করব সেটি হচ্ছে টি-শার্ট ডিজাইন।
আমরা কমবেশি সবাই কিন্তু টি-শার্ট পরি।
আমরা যত টি-শার্ট দেখতে পাইনি সেগুলো ডিজাইন কেউ না কেউ করছে।
আর তারাই হচ্ছে টি-শার্ট ডিজাইনার।

যাদেরকে মূলত দেখা যায় না, দেখা যায় তাদের ডিজাইন গুলোকে। আপনি একজন টি-শার্ট ডিজাইনার হিসাবে এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে পারেন।
আপনার কি মনে মানুষ কি কখনো টি-শার্ট কেনা বন্ধ করবে? এটা কখনই বন্ধ করবে না। এটা একটা এভারগ্রীন মার্কেট।

আমাজন অনেক বড় একটি মার্কেটপ্লেস যেটা আমরা সবাই জানি। মিলিয়নস অফ কাস্টমার আমাজন প্রতিদিন ভিজিট করে এবং সেখান থেকে তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য গুলো কেনাকাটা করে থাকে।

শুধুমাত্র এই টি-শার্টের জন্য আমাজন তাদের একটি প্রোগ্রাম লঞ্চ করেছে যেটির নামছে মার্চবাই আমাজন।

এই প্রোগ্রামের আওতায় একজন ডিজাইনার একটি মার্চেন্ট একাউন্ট ক্রিয়েট করে তার সেই একাউন্টে তার ডিজাইন করা টি-শার্টগুলো কে সাবমিট করতে পারে।

ডিজাইনার ডিজাইন করে শুধুমাত্র ডিজাইন টা সাবমিট করবে। কোন কাস্টমার যখন আমাজন থেকে সেই টি-শার্ট অর্ডার করবে আমাজন সেটি তৈরি করে তাদের গোডাউনে সেটাকে স্টপ করবে এবং পরবর্তীতে কাস্টমারকে ডেলিভারি করে দিবে।

অর্থাৎ এখানকার যত লজিস্টিক কাজ আছে তা সবকিছু আমাজন করবে। একজন ডিজাইনার হিসাবে আপনার কাজ হচ্ছে শুধু মার্চেন্ট একাউন্ট এর মধ্যে ভালো ভালো ডিজাইন সাবমিট করা।

এই প্রোগ্রামটি ছাড়াও অন্যান্য যত মার্কেটপ্লেস হয়েছে ফাইবার ফ্রিল্যান্সার এখানেও টি-শার্ট ডিজাইনার হিসেবে কাজ করা যেতে পারে। অনেকে টি-শার্ট ডিজাইনারদের হায়ার করে থাকে তাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য টি-শার্ট ডিজাইন করে নিতে।

এই বড় মার্কেট গুলোতে আপনি চাইলে ডিজাইনের সাথে কাজ করতে পারেন। ফটোশপ ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার খুব ভালোভাবে শিখে ডিজাইনের কনসার্টগুলোতে পারলে আপনি একজন ডিজাইনার হিসেবে এই সমস্ত মার্কেটপ্লেসগুলোতে সহজে কাজ করতে পারবেন।

আরও যেহেতু এটি একটি ডিজিটাল সার্ভিস তাই ঘড়ে বসেই শিখতে পারছেন ঘরে বসে ডিজাইন করতে পারছেন এবং শুধুমাত্র ডিজাইনগুলো সাবমিট করার মাধ্যমে আপনি এখানে একটা অনলাইন ক্যারিয়ার গড়তে পারছেন।ফিজিক্যালি কোথাও যেতে হচ্ছে না।

পরবর্তী জব হচ্ছে লোগো ডিজাইন।

আমরা আশেপাশে যত প্রতিষ্ঠানে দেখে থাকি সবারই কিন্তু লোগো রয়েছে। প্রতিষ্ঠান ছাড়াও ইউটিউবে হাজার হাজার ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক পেজ, ফেসবুক গ্রুপ, এছাড়া অনেক থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট রয়েছে যেমন ই-কমার্স, অনলাইন নিউজ পোর্টাল এই প্রত্যেকটি প্রোজেক্টের জন্য একটি লোগো ডিজাইন প্রয়োজন।

এবঙ আপনার কি মনে হয় মানুষ কি এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া বন্ধ করবে?

নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান কি মার্কেটে লঞ্চ হওয়া বন্ধ হবে?

প্রতিনিয়ত হাজার হাজার কোম্পানি লঞ্চ হয়, হ্যাঁ সবাই গুলো হয়তো সাকসেস হতে পারেনা কিন্তু উদ্যোগটি শুরু করার জন্য একটি লোগো প্রয়োজন হয়। আর সেই লোগো গুলো ডিজাইন করে লোগো ডিজাইনাররা।

পূর্বেও লোগো ডিজাইনার দের মার্কেটে ডিমান্ড ছিল, ভবিষ্যতেও এটার ডিমান্ড বলা চাহিদা থাকবে। এটি একটি এভারগ্রীন মার্কেট। আপনি যদি লোগো ডিজাইনের এক্সপার্টিজ দক্ষতা অর্জন করতে পারেন আপনাকে কোনদিন জব বা চাকুরি ছাড়া থাকতে হবে না।

অনলাইন অফলাইন সব জায়গাতেই লোগো ডিজাইনার দের মূল্য এবং চাহিদা রয়েছে। বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসতো রয়েছেই নিচে লিংক গুলো চেক করলে আপনি নিজেই সেগুলোর চাহিদা সম্পর্কে জানতে পারবেন।

সো, অনলাইনের পাশাপাশি দেশীয় ভাবে এটা করতে পারেন। ফেসবুক পেজের মাধ্যমে, নিজের একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট ক্রিয়েট করার মাধ্যমে, লোকাল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান উদ্যোগের জন্য লোগো ডিজাইন করে দেয়ার মাধ্যমে এখানে একটি ক্যারিয়ার তৈরী করতে পারবেন।

পরবর্তী অনলাইন জবাব হচ্ছে ফটো ইডিটিং।

আপনার যারা একটি সহজ কাজ করতে চান তাদের জন্য ফটো এডিটিং হতে পারে একটি ভাল অপশন। অন্যান্য জবাব গুলোর তুলনায় ফটো এডিটিং এর কাজ কিছুটা শহজ।

তবে এটির অনেক হাই লেভেল কাজ রয়েছে তবে বেসিক কিছু কাজ শিখে এই ধরনের কাজ করা যেতে পারে। আমাজন আলীএক্সপ্রেস সম্পর্কেতো আমরা সবাই জানি, এখানে হাজার হাজার সেলার রয়েছে, বিভিন্ন কোম্পানি রয়েছে তাদের পণ্যগুলোকে বিক্রি করছে।

এছাড়াো থার্ড পার্টি বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইট রয়েছে, ফেসবুক পেজ রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে সেলাররা বিভিন্ন ধরণের পণ্য অফার করে থাকে।

এই পণ্যগুলোর ছবি তুলে কিন্তু আপলোড করে দেয়া হয়না। এগুলোকে তোলার পর সে গুলোকে এডিটিং করে একটা ভালো প্রেজেন্টেশন তৈরি করা হয়। যেন কাস্টমাররা প্রোডাক্ট ইউজ করার পূর্বে সেটাকে ভালোভাবে দেখে নিতে পারে। এখানে ফটো এডিটর দের চাহিদা রয়েছে।

সেই সেলাররা ফটো এডিটরকে হায়ার করে থাকে সে প্রথম ছবিগুলো কে এডিট করার জন্য।

এভাবেও ফটো এডিটিং এর কাজ করার মাধ্যমে আপনি একজন ফটো এডিটর হিসেবে একটি ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা আপনার নিজের ফেসবুক পেইজ ক্রিয়েট করে অনলাইনে লোকাল ইউজারের কাছে প্রোডাক্ট সেল করতে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন আপনার সার্ভিস সম্পর্কে তাদেরকে বলতে পারেন।

এখন যে জব নিয়ে ডিসকাস করব এটি সম্পর্কে প্রিভিয়াসলি অনেক গুলো পোষ্টে বলেছি তারপরও আজকে একটু বলে নেই সেটি হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট।

ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যবহারকে যদি ভালোভাবে শিখতে পারেন তবে এই রিলেটেড জব আপনি করতে পারবেন।

প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের একটি ওয়েবসাইটের প্রয়োজন হয়। তাদের পণ্য সামগ্রী গুলোকে, তাদের কোম্পানির সম্পর্কে যাবতীয় যে ইনফরমেশন আছে, সেগুলো অনলাইনে তাদের কাস্টমারদের কাছে পৌছানোর জন্য।

আর অনলাইনে যত ওয়েবসাইট রয়েছে তার মধ্যে 35 শতাংশ ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করা।

আরো অনেক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট তৈরির সফটওয়্যার রয়েছে কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেস এর মধ্যে মার্কেট শেয়ার জনপ্রিয়তা সবথেকে বেশি। যার জন্য এটার ব্যবহারকারীও বেশি।

প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়ার্ডপ্রেসকে ব্যবহার করে থাকে। কারণ এটাতে ওয়েবসাইট তৈরি করার ব্যায় অনেক কম হয়। ম্যানেজমেন্ট করতে খুব সহজ এবং যেহেতু অনেক ইউজার বেস রয়েছে তাই অনলাইনে বিভিন্ন ফোরাম গ্রুপ রয়েছে যেখানে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান তারা সহজে নিতে পারে।
তাও আবার ফ্রিতে।

এ জন্য ওয়ার্ডপ্রেস রিলেটেড অনেক কাজ মার্কেটপ্লেসগুলোতে পাওয়া যায়। এটির ব্যাবহার ভালোভাবে শিখতে পারলে ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েব সাইট ডেভলপার হয়েও আপনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করে দিতে পারবেন।

আর যেহেতু এটিও একটি ডিজিটাল সার্ভিস। তাই এ কাজটি সম্পন্ন করে ক্লায়েন্টদেরকে ডেলিভারি করার জন্য ফিজিক্যালি কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন নাই। অনলাইনে কাজ করে অনলাইনে ডেলিভারি করা সম্ভব।

এই জব হচ্ছে এসইও, সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন।

একটি ওয়েব সাইটকে গুগলে Rank করানোর জন্য তার ওয়েবসাইট এসইও করতে হয়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ওয়েবসাইট অনার দের হাতে সময় থাকে না যে তারা তাদের ওয়েবসাইট এসইও করবে।
তাই তারা এসইও এক্সপার্টদের হায়ার করে থাকে।

এসইও ট্রাইব্যুনালের তথ্য মতে প্রতিদিন মানুষ গুগোল এ 5 দশমিক 6 বিলিয়ন টাইমস সার্চ করে থাকে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য বিভিন্ন বিষয় খুঁজে বের করার জন্য।

তাই একটি ওয়েবসাইটকে গুগলের রেংকিং করাতে পারলে অনেক অর্গানিক ভিজিটর বা ট্রাফিক পাওয়া যায়। তাই অনলাইনে এসইও এক্সপার্টদের অনেক চাহিদা রয়েছে।
একজন এসইও এক্সপার্ট কে কয়েকটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হয়।

যেমনঃ কনটেন্ট রাইটিং, কনটেন্ট মার্কেটিং, অন পেজ এসইও, অফ পেজ এসইও, লিংক বিল্ডিং এবং ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে বেসিক ধারণা থাকতে হয়।

প্রফেশনাল ডেভলপার হওয়ার প্রয়োজন নেই। একটি ওয়েবসাইট কিভাবে সেটআপ করতে হয়, কিভাবে পেজগুলো কাজ করে স্ট্রাকচার গুলো খুব ভালোভাবে জানতে হয়। বিশেষ করে ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যবহারটা খুব ভালোভাবে জানতে হয়।

এখন যে অনলাইন জব নিয়ে আলোচনা করব সেটি হচ্ছে প্রফরিডিং।

আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই রয়েছে যারা অন্যের ভুল খুব সহজেই ধরতে পারে।
যেমনঃ কেউ উচ্চারণ ঠিকমত করতে পারছে না, বা যে কন্টেন্ট লিখেছে এখানেও গ্রামাটিকেল ভুল রয়েছে, এই ভুল ধরতে পারাটাও কিন্তু একটি স্কিল। যেটাকে আপনি সার্ভিস হিসেবে অনলাইনে অফার করতে পারেন।

আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছে যারা তাদের ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করে থাকে। তারা পার্সোনাল প্রফেশনাল কাজে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তাদেরকে লিখতে হয়। কিন্তু অন্যান্য কাজ করার কারণে তারা সে গুলোকে ভাল হবে রিভিউ করতে পারে না এবং কোন ভুল ত্রুটি আছে কিনা চেক করার সময় পায়না

তাই তারা প্রুফ রিডারকে হায়ার করে থাকে যারা ভুল গুলো কে ধরতে পারে।

প্রুফরিডার্ডের কাজ হচ্ছে বিভিন্ন কন্টেন্ট আর্টিকেল এর মধ্যে কোন গ্রামাটিক্যাল মিস্টেক আছে কিনা স্পেলিং মিসটেক আছে কিনা এগুলো খুঁজে বের করে সেগুলো ফিক্স করে দেয়া।

আপনি যদি ইংরেজিতে ভালো হয়ে থাকেন এবং এ ধরনের ভুল ত্রুটি আপনি সহজেই ধরতে পারেন, তাহলে আপনার মধ্যেও এ-ই স্কিল আছে।

যেটিকে আপনি অনলাইন মার্কেটপ্লেসে সার্ভিস হিসেবে অফার করার মাধ্যমে এই সেকশনে জব করতে পারেন।

এবং অন্যের লেখা গুলোকে প্রপারলি ফরমেট করে দিতে পারেন বা কারেকশন করে দিতে পারেন।

“মোশন গ্রাফিক্স”
বিভিন্ন ভিডিওতে আপনারা অনেক এনিমেশন দেখতে পান
যেমনঃ লর্ড থার্ডস, এনিমেটেড টাইটেল, ট্রানজিশন, বিশেষ করে ক্রিকেট ফুটবল খেলা দেখলে আপনারা দেখতে পাবেন যে সেখানে এনিমেটেড স্কোরবোর্ড থাকে বা নিচে একটি বার থাকে যেখানে খেলার আপডেট দেখা যায়।

তো এইযে এনিমেটেড ব্যাপারগুলো বা এই ইফেক্টগুলো আমরা দেখতে পাই এগুলো হচ্ছে মোশন গ্রাফিকস ডিজাইনার’রা ডিজাইন করে থাকে । এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য বা সেবা গুলোকে সহজে প্রেজেন্ট করার জন্য বিভিন্ন ধরনের এনিমেটেড ভিডিও তৈরি করে থাকে ইউটিউবে ভিডিও দেখতে গেলে দেখবেন বিভিন্ন চ্যানেলের ইন্ট্রো ভিডিও দেখা যায়।

এগুলো বেসিক্যালি মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাজ এবং এই কাজগুলোর অনলাইনে অনেক ভালো ডিমান্ড রয়েছে।

কয়েকটি সফটওয়্যার এর কাজ জানতে হয় মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হলে যেমন ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, প্রিমিয়ার প্রো, আফটার ইফেক্ট এবং গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কে কিছুটা নলেজ এর প্রয়োজন হয় কারণ এই গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং অ্যানিমেশনের দুটি সমান্বয়ে মূলত মোশন গ্রাফিক্স করা হয়।

ওয়েবসাইট ফ্লিপিং
ধরুন আপনি একটি টি-শার্ট ডিজাইন নিয়ে কাজ করছেন। তার পাশাপাশি আপনার সাথে কিছুটা সময় আছে আপনি চাইলে একটি ওয়েবসাইটকে তৈরী করতে পারেন কিছু ফ্রি ডিজাইন সেই ওয়েবসাইটে সাবমিট করতে পারেন। কিছু রিসোর্স পাবলিশ করতে পারেন। কিছু কনটেন্ট পাবলিশ করতে পারেন এবং সেই ওয়েবসাইটে ট্রাফিক আসা শুরু করলে সুন্দর একটি ভ্যালু তৈরী হবে।

পরে সেই ওয়েবসাইট আপানি চাইলে বিক্রি করে দিতে পারবেন ফ্লিপ্পা নামক মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে।
ফ্লিপ্পা অনেক জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস যেখানে ডিজিটাল প্রপার্টি কেনাবেচা করা হয়।
যেমন ওয়েবসাইটে একটি ডিজিটাল প্রপার্টি, একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ একটি ডিজিটাল প্রপার্টি। যদিও এসব জব থেকে আমি প্রাইমারি জব হিসেবে রিকমেন্ডেশন করবো না। বরং এটিকে সেকেন্ডারি জব হিসেবে নিবেন।

আপনি মূলত যে প্রফেশনে আছেন সেটার পাশাপাশি নিজের কোন একটা প্রজেক্ট যদি আপনি ডেভলপ করতে পারেন তবে সেটিকে মার্কেটপ্লেসে মাধ্যমে অফার করতে পারবেন।

এবং সে প্রযুক্তি থেকে আপনাদের যে পরিমান বিনিফিট আসতেছে তার থেকে 20 থেকে 30 গুণ বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন।

ফ্লিপ্পা মার্কেটপ্রেস ভিজিট করে দেখতে পারেন সেখানে ওয়েবসাইটগুলো কি পরিমান দামে বিক্রি হচ্ছে।
এবং এই মার্কেটপ্লেসে ই-কমার্স ওয়েবসাইট, কন্টেন বেজ ওয়েবসাইট বা এডসেন্স ওয়েবসাইটগুলো সবচেয়ে ভালো বিক্রি হয়ে থাকে।

আপনার বর্তমান যে কাজ আপনি করছেন বা করবেন ভবিষ্যতে তার পাশাপাশি আপনি চাইলে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন।
ব্লগিং শুধুমাত্র ব্লগারদের জন্য নয়! বরং যে কোনো প্রফেশনালের মানুষ ব্লগিং করতে পারে।

একটি ওয়েবসাইট তৈরী করে তার নলেজ শেয়ার করতে পারে, বিভিন্ন রিসোর্স শেয়ার করতে পারে এবং সেগুলোর মাধ্যমে একটি ওয়েব সাইট ডেভলপ করতে পারলে সেটা থেকে অনলাইনে ইনকাম করার পাশাপাশি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে সেটা বিক্রি করার মাধ্যমে ভালো মানের বিনিয়োগ করা যায়।
এবং সে রেভিনিউগুলো ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে নিয়ে আসা যায়।

তাই, ওয়েবসাইট ফিলিপিং ও দারুন একটি অপশন হতে পারে আপনার বর্তমান কাজের পাশাপাশি আরেকটি আর্নিং রেসোর্স ডেভলপ করার জন্য।

এই ছিল আজকের মত কিছু জব আইডিয়া। আশা করি কিছুটা হলেও আইডিয়া পেয়েছেন। নিচে ডেসক্রিপশনে দেয়া লিংক গুলো ভালোভাবে চেক করবেন। সেগুলো ভিজিট করে নিজেকে রিচার্জ করবেন তাহলে আপনি নিজেও আরো অনেক আইডিয়া বের করতে পারবেন।
এবং আপনার যে কাজটি করতে ভালো লাগে সেটি নিয়েই আপনি অনলাইনে কাজ করতে পারেন।

আপনি বর্তমানে কি ধরনের প্রতিষ্ঠানে জব করছেন? অফলাইনে হোক বা অনলাইনে হোক, কোন সেক্টরে জব করছেন? কি ধরনের কাজ আপনি করেন? নিচে কমেন্ট সেকশনে আমাদেরকে জানান যেন আপনার কাছ থেকে আমরা কিছু শিখতে পারি এবং নতুন কোন আইডিয়া আমরা পেতে পারি।

এই ওয়েবসাইটে আমি ওয়াডপ্রেস রিলেটেড টিউটোরিয়াল, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট টিউটোরিয়াল বা অনলাইন বিজনেস টপিক নিয়ে ডিসকাস করে থাকি। আপনি চাইলে আমার সাথে কানেক্টেড থাকতে পারেন এ বিষয়গুলো সম্পর্কে আপডেট থাকতে পারেন।
আজ এ পর্যন্তই, পরবর্তীতে নতুন কোন বিষয় নিয়ে আবারও কথা হবে।

Leave a Comment