আর্টিকেল বা কনটেন্ট লিখে অনলাইন আয় করার পূনার্ঙ্গ গাইডলাইন ২০২১

এখন ২০২১ সালে এসে অনলাইন থেকে আয়ের ব্যাপারটা সবাই জানি তবে কনটেন্ট লিখে অনলাইন আয় অনেক সহজ। অনলাইন থেকে আয়ের প্রতি দিন দিন মানুষের আগ্রহ অনেক বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু কেমন হয় যদি আপনার শখের কাজটি করেই আপনি অনলাইন থেকে ভালো অংকের টাকা আয় করতে পারেন? আমাদের অনেকেই আছে যারা লিখালিখি করতে পছন্দ করে খুব।

কিন্তু আপনি কি জানেন শুধু কনটেন্ট / লিখালিখির মাধ্যমেও বর্তমানে মানুষ হাজার হাজার ডলার আয় করছে? আজকের আমাদের এই পোস্টে লিখালিখা করে আয় ,আর্টিকেল লিখে আয় কিংবা  কনটেন্ট লিখে অনলাইন আয় নিয়ে বিস্তারিত ধারণা দেয়া হবে। তাই শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পোস্টটি পড়ুন।

কনটেন্ট লিখে অনলাইন আয়

আজকে আমি আপনার সাথে কথা বলব কনটেন্ট রাইটিং নিয়ে। বিশেষ করে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিজনেস এ কনটেন্ট রাইটিং টা খুবই ইনপরটেন এবং এটা কোনো কঠিন কাজ না। যে কেউ চাইলে প্র্যাকটিস করার মাধ্যমে শুরু করতে পারেন। কিন্তু কোন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করলে আপনি রিয়েলি প্রফিট জেনারেট করতে পারবেন বা একটা সময় আপনার লেখালেখির ভ্যালুয়েবল হয়ে যাবে সেই জিনিসটাই আজকে আমি আপনাকে দেখাবো।

তবে তার আগে বলে নেই পুরো পৃথিবীতে প্রচুর মানুষ আছে যারা তাদের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করার মাধ্যমে ইনকাম করে থাকে। গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে এফিলিয়েট কমিশন ইনকাম করার মাধ্যমে ইনকাম করে থাকে। তো আজকে সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে ডিসকাস করব না জাস্ট কিভাবে কন্টেন্ট রাইটিং ক্যারিয়ার করতে পারেন সেই বিষয়ে আমি আপনাকে কিছু গাইডলাইন দেবো।

যে গুলো ফলো করলে আপনি নিজের মধ্যে অনেক দারুন একটা ইমপ্রুভমেন্ট দেখতে পারবেন কয়েক মাসের মধ্যেই। একটা কথা মনে রাখবেন কনটেন্ট রাইটিং একটা ক্রিয়েটিভ প্রফেশন
যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন একটা প্রফেশন শুধু ফটোশপ ইলাস্ট্রেটর এগুলোর ব্যবহার জানলে কিন্তু ডিজাইনার হওয়া যায় না। এটা একটা ক্রিয়েটিভ প্রফেশন।

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, যেমন আমিও কম্পিউটার প্রোগ্রামিং করে ওয়েবসাইট তৈরি করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান জন্য তো এগুলোও একটি ক্রিয়েটিভ প্রফেশন। ঠিক কনটেন্ট রাইটিং একটা ক্রিয়েটিভ প্রফেশন। যে কেউ চাইলে প্র্যাকটিস করার মাধ্যমে এটা শিখে ফেলতে পারেন। কনটেন্ট রাইটিং শেখার সুবিধা কি আমি বলি আপনাকে, আপনি কন্টেন্ট রাইটিং এর প্রপার ধারণা বা আইডিটা নিতে পারলে আপনি একটা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করে আপনি গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে, অ্যাফিলিয়েট কমিশনের মাধ্যমে অনেক দারুন ইনকাম করতে পারবেন।

পুরো পৃথিবীতে লক্ষ-কোটি মানুষে আছে যারা কনটেন্ট রাইটিং করে ইনকাম করছে আমি নিজেও করেছি এবং আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্ট কয়েকশো ফ্রেন্ড আছে যারা খুব দারুণ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার এবং তারাও খুব দারুণ কাজ করছে।

তাহলে চলুন আমি আপনাকে দেখিয়ে দেই কিভাবে আপনি আপনার কনটেন্ট রাইটিং ক্যারিয়ারে শুরু করতে পারেন।

সাধারণত আমরা দুই ধরনের কনটেন্ট রাইটিং অনলাইনে দেখতে পাই। দুই ধরনের কনটেন্ট রাইটিং এর মধ্যে

১/ টিউটোরিয়াল টাইপ কনটেন্ট।
২/ রিভিউ টাইপ কনটেন্ট।

আমরা এখন কী করবো, কিছু এক্সাম্পল দেখব যেন আপনি পুরো ব্যাপারটি রিয়েল লাইফ থেকে ক্লিয়ার হতে পারেন যে টিউটোরিয়াল গুলো কেমন হয় এবং রিভিউটা ট্রেন গুলো কেমন হয় এবং আপনার জন্য নতুন অবস্থায় কোনটা বেস্ট হবে সে বিষয়টা আমি আপনাকে বলবো।

এবং কনটেন্টগুলো লেখার জন্য আপনি কোন প্ল্যাটফর্ম তা এই মুহূর্তে ব্যবহার করবেন, কোন টাকা লাগবে না, ডোমেইন-হোষ্টিং এই জিনিসগুলো লাগবেনা। ফেসবুকের মাধ্যমে আপনি কন্টেন্ট রাইটিং লেখা শুরু করে দিতে পারবেন প্র্যাকটিস করার জন্য বা শেখার জন্য।

মনে রাখবেন আপনি যদি কন্টেন্ট রাইটিং ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান তাহলে প্রথমে আপনাকে কাজটা শিখে নিতে হবে। গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং এই কাজগুলোর মত । কনটেন্ট রাইটিং এটিও একটি কাজ এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় দিয়ে আপনাকে এই কাজটি শিখে নিতে হবে। যার জন্য আপনাকে প্র্যাকটিস করতে হবে।

তবে শুরুতেই কাজটি শেখার আগেই টাকার চিন্তা করা শুরু করলে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন না। টাকাটা চলে আসবে পরবর্তীতে যখন আপনি কাজটি শিখে কাজটি শুরু করবেন। যেহেতু আপনি কিছুই পারেন না তাই নতুন অবস্থায় কোন টাকা ইনকাম করতে পারবেন না। আপনাকে কনটেন্ট রাইটিং টা প্র্যাকটিস করতে হবে এবং শিখে নেওয়ার পরে আপনি প্র্যাকটিক্যালি কাজে লাগিয়ে তখন বিজনেস পারপাস এ কাজে লাগিয়ে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

সাধারণত পুরো পৃথিবীতে আমরা আসলে দুই ধরনের কনটেন্ট দেখতে পাই এক ধরনের কনটেন্ট হচ্ছে
টিউটোরিয়াল টাইপ কনটেন্ট
আরেক ধরনের কনটেন্ট হচ্ছে বিভিন্ন
প্রোডাক্ট এর রিভিউ টাইপ কনটেন্ট
এ ধরনের কনটেন্ট এখন আমি আপনাকে দেখাব যেন আপনি বুঝতে পারেন যে রিভিউ টাইপ কনটেন্ট গুলো কেমন হয় এবং টিউটোরিয়াল টাইপ কনটেন্ট কেমন হয়।

আপনি কিভাবে নতুন অবস্থায় কোন প্ল্যাটফর্ম টা ব্যবহার করে কনটেন্ট রাইটিং স্কিলটা শেখা শুরু করে দিতে পারেন সেটাও আমি দেখাবো।

আমরা মূলত ফেসবুকটা ব্যাবহার করব। ফেসবুকে আপনি কনটেন্ট রাইটিং টা শুরু করে দিতে পারবেন কোন টাকা লাগবে না একদম ফ্রিতে। প্রথমেই আপনাকে ডোমেইন-হোষ্টিং এগুলো না কিনলেও চলবে যেহেতু, আপনি একেবারে নতুন একটা প্র্যাকটিস শুরু করে দিতে চান।

আমরা সাধারণত দুই ধরনের আর্টিকেল বা কনটেন্ট অনলাইনে দেখতে পাই। আর তার মধ্যে একটি হচ্ছে টিউটোরিয়াল কনটেন্ট বা আর্টিকেল। আরেকটি হচ্ছে প্রডাক্ট রিভিউ। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজ হচ্ছে প্রডাক্ট রিভিউ।

টিউটোরিয়াল লেখার জন্য কোন একটি বিষয়ে আগে থেকে নলেজ থাকতে হয় ওই বিষয়টা সম্পর্কে অন্য কাউকে শেখানোর জন্য। যেমন আমি এখন আপনাকে শিখাচ্ছি কনটেন্ট রাইটিং সম্পর্কে। আমার পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা রয়েছে তাই আমি আপনাদের শিখাচ্ছি।

ঠিক একইভাবে টিউটোরিয়ালটা লেখালেখি করতে গেলেও কোন বিষয়ে প্রিভিয়াসলি কোন কিছু জানা থাকতে হয়। কিন্তু কোন প্রোডাক্টের রিভিউ লেখার ক্ষেত্রে আপনাকে প্রিভিয়াসলি খুব ভালো কোনো বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই। আপনি একটা প্রোডাক্ট সম্পর্কে কিছুক্ষণ স্টাডি করি সে প্রডাক সম্পর্কে লিখে ফেলতে পারবেন।

তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে টিউটোরিয়াল কনটেন্ট রাইটিং কনটেন্টগুলো দেখতে কেমন হয় এবং প্রোডাক্ট এর রিভিউ এর কনটেন্ট গুলো দেখতে কেমন হয় সেই জিনিস গুলো আমরা একটু প্র্যাক্টিক্যাল দেখি। যাতে করে আপনি ব্যাপার গুলো আরো ভালোভাবে ক্লিয়ার হয়ে যেতে পারেন।

এখন আমরা গুগলে গিয়ে একটি টিউটোরিয়াল কন্টেন্ট টাইপ সার্চ করি, তাহলে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল ওয়েবসাইটগুলো চলে আসবে এবং আপনারা এখান থেকে একটা রিয়েল লাইফ ধারণা নিতে পারবেন যে টিউটোরিয়াল কন্টাক্ট গুলো দেখতে কেমন হয়।

আমি প্রথমে সার্চ করছি একটি কমন কিওয়ার্ড দিয়ে যে, “কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয়” এটা লিখে সার্চ করলাম। সার্চ করলে এখানে অনেকগুলো ওয়েবসাইট, ইউটিউব এর লিংক চলে আসছে যেখানে বিভিন্ন ধরনের টিউটোরিয়াল আছে।

যেখানে বিস্তারিত ভাবে লেখা আছে যে আপনি কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন। ওয়েবসাইট কিভাবে ডিজাইন করবেন, ওয়েবসাইটের ডোমেইন, হোস্টিং কিভাবে ক্রয় করবেন ইত্যাদি ইত্যাদি।

ধরুন গুগলে গিয়ে সার্চ করে আপনি আমার এই ওয়েব সাইটের লিংকটি পেয়েছেন। এখন আমি একজন ওয়েব ডেভলপার। আমি এখানে স্টেপ বাই স্টেপ লিখে রেখেছি কিভাবে আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন।

যেহেতু আমি একজন ওয়েব ডেভলপার তাই আমি জানি। সেজন্য যারা নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করা শিখতে চায় তাদের জন্য একটি সুন্দর টিউটিরিয়াল লিখে রেখেছি এখানে। আপনার মত যারা নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করা শিখতে চায় তাদের জন্য। আমি এখানে স্টেপ বাই স্টেপ দেখিয়ে দিয়েছি কিভাবে একটি ডোমেইন হোস্টিং এবং একটি সফটওয়ারের মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটটি তৈরি করবেন।
মূলত এটি হলো টিউটরিয়াল টাইপ কনটেন্ট বা আর্টিকেল।

এখন চলুন আমরা রিভিউ টাইপ কনটেন্ট দেখব যে রিভিউ টাইপ কনটেন্ট গুলো দেখতে কেমন হয়। এটাতো টিউটোরিয়াল টাইপ কনটেন্ট দেখলাম।

রিভিউ টাইপ কন্টেন্ট বা আর্টিকেল
এগুলো মূলত হচ্ছে বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর বিষয়ে সুযোগ সুবিধা গুলো লিখে রাখা।
যেকোন একটি প্রোডাক্ট পছন্দ করে সেটার উপরে আপনি ভালো-মন্দ লিখতে শুরু করুন। মানে সেটা সুযোগ-সুবিধা ফিচারগুলোর আরটিকেল লিখে অনলাইনে আয় শুরু করুন।

প্রশ্ন থাকতে পারেঃ প্রোডাক্টগুলো আপনি পাবেন কোথায়?
যেমন আমরা যদি
“আমাজন” ভিজিট করি,
“Themeforest”
বাংলাদেশ যেটা আছে “daraz.com.bd” এগুলো সবই হচ্ছে মার্কেটপ্লেস এই আমাজান, থিমফরেস্ট, দারাজ। বলে রাখা ভালো এই কাজটি এখন শিখে রাখলে পরবর্তীতে আপনি বাংলাতেও আফিলিয়েট মারকেটিং বা কনটেন্ট রাইটিং করে অনেক ভালো আর্নিং করতে পারেন। বাংলা ওয়েবসাইট দিয়েও কিন্তু অনেক ভালো আর্নিং জেনারেট করা যায় তো যাই হোক আমরা সেগুলো নিয়ে কথা পরে বলব।

আমাজান, থিমফরেস্ট daraz.com.bd এগুলো সবই একচুয়ালি মার্কেটপ্লেস। তো যেহেতু বাংলাদেশে এখনো অপরচুনিটি আসলে এভাবে ক্রিয়েট হচ্ছে না বাট daraz.com.bd তে কিন্তু অপরচুনিটি আছে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার তো এখন এটা নিয়ে কোন কথা বলছি না এটি পরে আলোচনা করব।

এখন আমরা দেখি amazon.com এবং থিমফরেস্ট এর প্রোডাক্ট এর উপর। আমি ধরে নিচ্ছি আপনি প্রোডাক্ট এর উপরে কনটেন্ট রাইটিং লেখা শুরু করে দিতে যাচ্ছেন। এখন কিভাবে শুরু করলে আপনার জন্য সবচেয়ে বেস্ট হবে এবং দ্রুত আপনার রাইটিং স্কিল অর্জন করে ফেলতে পারবেন সেই বিষয় আলোচনা করব।

এখন আমরা যদি আমাজন ডট কম ভিজিট করি তাহলে আমরা দেখতে পাব এখানে সব ধরনের প্রোডাক্ট পাওয়া যায়। ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট, জামা-কাপড়, বিউটি প্রোডাক্ট, হেলথ, ক্রিয়েটেড, ক্যামেরা, ইত্যাদি।
আর থিমফরেস্ট আরো একটি মার্কেটপ্লেস যেখানে শুধুমাত্র সফটওয়্যার প্রোডাক্ট পাওয়া যায় বিভিন্ন ওয়েবসাইটের জন্য।
যেমন এটা একটা ওয়েবসাইট, আর এটা একটা সফটওয়্যার। যে কোন ওয়েবসাইট কিন্তু একটা সফটওয়্যার। আমাদের স্মার্টফোনে যেমন সফটওয়্যার থাকে একইভাবে ওয়েবসাইটেও প্রচুর সফটওয়্যার থাকে। এই Themeforest হচ্ছে এ ধরনের একটি ওয়েবসাইট মার্কেটপ্লেস যেখানে প্রচুর সফটওয়্যার বেচাকেনা করা হয়।

এখন আপনি কিভাবে একটা প্রোডাক্ট পছন্দ করে সেটার উপরে লেখালেখি শুরু করে দিবেন এটা সম্পূর্ণ ডিপেন্ড করবে আপনার উপর।

আমার পার্সোনাল এক্সপেরিয়েন্স থেকে আমি আপনাকে বলছি প্রায় সব ধরনের প্রোডাক্ট বিক্রি হয়। এবার হোক সেটা সফটওয়্যার প্রোডাক্ট অথবা বিউটি প্রোডাক্ট। সব ধরনের প্রোডাক্টের খুব ভালো সেল আছে। সবচেয়ে বেস্ট হয় যে প্রডাক্টের প্রতি আপনার ইন্টারেস্ট আছে সেটি নিয়ে “অনলাইনে লেখালেখি করে আয় শুরু করুন”। ধরে নিন আপনার আইফোন খুব পছন্দ। এখন আইফোনের ক্যামেরা, ব্যাটারি, আইফোনের ডিসপ্লে, আইফোনের পারফরম্যান্স নিয়ে লেখালেখি শুরু করে দিতে পারেন।

তো যাই হোক আমরা কিন্তু অলরেডি দেখে নিলাম যে টিউটোরিয়াল টাইপ কন্টেন্ট গুলো দেখতে কেমন হয় এবং প্রোডাক্ট রিভিউ টাইপ কনটেন্ট গুলো দেখতে কেমন হয়।

টিউটোরিয়াল এবং প্রোডাক্ট রিভিউ এই দুইটার টার মধ্যে যেহেতু প্রোডাক্ট রিভিউ লেখাটা সবচেয়ে সহজ বিশেষ করে একবারে নতুনদের জন্য তাই আপনার জন্য আমার রিকমেন্ডেশন থাকবে আপনি যেকোন একটি প্রোডাক্ট পছন্দ করে সেটার উপরে আপনি ভালো-মন্দ লিখতে শুরু করুন। মানে সেটা সুযোগ-সুবিধা ফিচারগুলোর আরটিকেল লিখে অনলাইনে আয় শুরু করুন।

কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে আয়

পৃথিবীতে ভালো মানের কন্টেন্টের অনেক দাম রয়েছে। মানুষ হাজার হাজার টাকা দিয়ে কন্টেন্ট রাইটার হারায় করছে ভালো কন্টেন্টের জন্য।

আপনি যদি অনেক ভালো ইংরেজি কন্টেন্ট লিখতে পারেন তাহলে আপনি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে একজন কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে মানুষের কাছে আপনার সার্ভিস বিক্রি করতে পারেন।

শেষ কথা

আর্টিকেল লিখে বর্তমানে অনেকে অনেক টাকা আয় করছে। আপনিও হতে পারেন তাদের মতো একজন কিন্তু তার জন্য আপনাকে করতে হবে অনেক পরিশ্রম এবং নুজের স্কিলকে ডেভেলপ করতে হবে আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো ধৈর্য কেউ কখনো একদিনে লাখপতি হতে পারেনা।

আমাদের এই পোস্টটি এতক্ষণ পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আমাদের কমেন্ট করে জানান কোন মেথডটি আপনি পছন্দ করেছেন আর্টিকেল লিখে আয় করার।

Leave a Comment