কেন আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে ইনকাম হচ্ছে না! তার ৮ টি কারণ সহ সমাধান

ব্লগিং হচ্ছে একটি লেখালেখি করার পেশা। আপনার যদি লেখালেখি করতে ভালো লাগে তাহলে আপনি ব্লগিং ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে পারেন।

কিন্তু প্রায় 90 শতাংশ মানুষ ব্লগিং ইন্ডাস্ট্রিতে ফেল হয়ে যায় কিছু কমন মিসটেক করার কারণে। আজকে ঠিক সেরকম আটটি মিসটেক নিয়ে আপনার সাথে আমি কথা বলব যেগুলো আপনি এভোয়েড করলে আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ারে আপনি একটা ভালো ডেভেলপমেন্ট দেখতে পাবেন।

তাহলে চলুন শুরু করি।

ব্লগিং শুরু করার প্রথম থেকেই আয় করার চিন্তা করা।

দেখুন আমরা যদি একটা ভালো জব নিতে চাই তবে আমাদেরকে 20- 25 বছর স্টাডি করতে হয়। তারপর আমরা একটা ভালো জবের এক্সপেক্টেশন রাখতে পারি।
ঠিক একইভাবে প্রথম দিক থেকেই ব্লগিং করে আপনার ব্লগ দ্বারা রেভিনিউ জেনারেট করতে পারবেন না।

একটি ওয়েব সাইট অথবা ব্লগ থেকে অর্থ উপার্জন করতে হলে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কন্টিনিউয়াসলি আপনার টপিক এর উপরে আর্টিকেল পাবলিশ করে যেতে হবে। তবেই একটা সময় ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে অবশ্যই ভালো পরিমাণে রেভিনিউ জেনারেট হবে। আপনি যত ওয়েবসাইট ভিজিট করে থাকেন না কেন লক্ষ্য করলে দেখবেন, আশেপাশের বিভিন্ন ওয়েবসাইট এর বিজ্ঞাপন এবং স্পনসর্শিপ অথবা গুগল এডসেন্সের এড দেখানো হয়।

মূলত একজন ব্লগার অথবা একটি ওয়েবসাইট থেকে এভাবেই বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করে থাকেন।

তারা সেগুলো একদিনে ডেভলপ করেনি তারা প্রতিনিয়ত তাদের ওয়েবসাইট বা ব্লগে কন্টিনিউয়াসলি আর্টিকেল অথবা কনটেন্ট লিখেছে । তারপর তাদের ওয়েবসাইট অথবা ব্লগে ধীরে ধীরে ট্রাফিক আসতে শুরু করেছে এবং সেখান থেকে তাদের অর্থ উপার্জনের শুরু হয়েছে।

সুতরাং আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে আপনি কন্টিনিউয়াসলি আর্টিকেল পাবলিশ করে যাবেন। সেইসঙ্গে অবশ্যই আপনাকে অধিক পরিমাণ ধৈর্য রাখতে হবে।

অতিরিক্ত অ্যাফিলিয়েট প্রগ্রামে জয়েন করা | Applying for to many affiliate program.

আপনার ওয়েবসাইট অথবা ব্লগের যে বিষয় শুধুমাত্র সেই রিলেটেড ভালো ভালো মার্কেটপ্লেস এ জয়েন করুন। আপনি আপনার ওয়েবসাইট দিয়ে একাধিক কোম্পানির অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম চালু করতে পারবেন তাতে কোন সমস্যা নেই। সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেসগুলোর হচ্ছে আলীএক্সপ্রেস, আমাজন, থিমফরেস্ট এগুলো।

এছাড়াও পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ কোম্পানির অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম সার্ভিস রয়েছে যেগুলোতে আপনি যুক্ত হতে পারেন কিন্তু আপনার ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ যে রিলেটেড সেই রিলেটেড মার্কেটপ্লেসগুলোর দুই একটিতে আপনি জয়েন করবেন।

অতিরিক্ত কোম্পানির অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ জয়েন না হয়ে বরং ভালো কোয়ালিটির দুই একটি কোম্পানির অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ জয়েন করে আপনি একটি ভালো পরিমাণ এর অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

কনটেন্ট ছাড়াই অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ এপ্লাই করা | applying affiliate program without contents.

অনেকেই তাদের ওয়েবসাইট বা ব্লগে কোন কনটেন্ট ছাড়াই অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ এপ্লাই করে। যার ফলে তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রিজেক্টেড হয়ে যায়।

যে কোন কোম্পানির এফিলিয়েট পার্টনার নেওয়ার পূর্বে তারা দেখতে চায় যে আপনার ওয়েবসাইটে আপনি কি ধরনের কনটেন্ট পাবলিশ করছেন।
অথবা আপনি যদি ইউটিউবার হন তাহলে আপনাদের ইউটিউব এর ভিডিও গুলো কোন রিলেটেড সেই ভিডিও গুলোর উপর ভিত্তি করে তারা অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম দিয়ে থাকে। সেগুলো রিভিউ করার পরেই তারা আপনার অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভ করে দেয়।

তাই আফিলিয়েট প্রোগ্রামে এপ্লাই করার পূর্বে অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগে আপনার ওয়েবসাইট এবং ব্লগ রিলেটেড বেশ কয়েকটি আর্টিকেল বা কনটেন্ট পাবলিশ করবেন। নির্দিষ্ট কোন অ্যামাউন্ট নেই যে আপনি কতগুলো আর্টিকেল পাবলিশ করে অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ এপ্লাই করবেন।

আবারও বলছি ব্লগিং হচ্ছে একটি লেখালেখি প্রফেশন। আপনাকে সব সময় লিখতে হবে। যদি অ্যাফিলিয়েট একাউন্ট এপ্রুভ করাই আপনার প্রধান উদ্দেশ্য থাকে, যদি গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রুভ করাই আপনার মেইন উদ্দেশ্য থাকে তাহলে ব্লগিংয়ে আপনি ভালো কিছু করতে পারবেন না। এই কোম্পানিগুলো বসে আছে আপনাকে গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল দেয়ার জন্য, অ্যাফিলিয়েট পার্টনারশিপ দেয়ার জন্য। আপনাকে শুধু ভালো কোয়ালিটির কনটেন্ট বা আরটিকেল আপনার ওয়েবসাইটে সব সময় পাবলিশ করতে হবে।

একটা জিনিস মাথায় রাখবেন, আপনার ইউটিউব চ্যানেল, ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ থাকুকনা কেন! সেগুলোতে প্রথমে যথাযথ আরটিকেল বা কন্টেন্ট পাবলিশ করে নিবেন।

আপনার ওয়েবসাইটে যদি ভাল কনটেন্ট অথবা আর্টিকেল থাকে তাহলে পরবর্তীতে আপনি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম, স্পনসর অথবা গুগল এডসেন্সে এপ্লাই করার অনেক সময় পাবেন। এতে করে আপনার গুগল এডসেন্স অ্যাপ্লিকেশন বলেন আর স্পনসর বলেন অথবা এফিলিয়েট বলেন এগুলোর সব প্রথম চেষ্টায় এপ্রুভ হয়ে যাবে।

তাই এই বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল করবেন যে, আপনার ওয়েবসাইট ব্লগ অথবা ইউটিউব চ্যানেলে যথাযথ কন্টেন্ট বা আরটিকেল না থাকলে কখনই গুগল এডসেন্স সহ কোন ধরনের এফিলিয়েট প্রেগ্রামে এপ্লাই করবেন না। তাতে করে সকল চেষ্টা বৃথা যাওয়ার সাথে সাথে নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে যাবে। পাশাপাশি আপনার কাজের প্রতি অমনোযোগী হয়ে পড়বেন।

এফিলিয়েট লিংক যেখানে-সেখানে কপি পেস্ট করা | Copy and paste affiliate links here and there.

নতুনরা আরো একটি কমন মিসটেক করে থাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে। সেটা হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের লিংকগুলো যেখানে-সেখানে কপি পেস্ট করা। ইউটিউব ভিডিওর নিচে লিংক পেস্ট করে দেয়া, বিভিন্ন ওয়েবসাইটের কমেন্ট সেকশনে লিংক পেস্ট করা,
ফেসবুকের কমেন্ট সেকশনে লিংক পেস্ট করে দেওয়া। এগুলোকে একচুয়ালি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয় না। এগুলোকে বলা হয স্পামিং, এগুলো করার কারণে আপনার অ্যাফিলিয়েট একাউন্ট এবং গুগল এডসেন্স একাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যায়।

ভাই এগুলো থেকে আপনি বিরত থাকুন। যেখানে সেখানে এফিলিয়েট লিংক কপি পেস্ট করবেন না। এভাবে আপনি কখনোই ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ভালো কিছু করতে পারবেন না। আপনার লেখার মাধ্যমে সেখানে এফিলিয়েট লিংক দিন। ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করার মাধ্যমে সেই ভিডিওর নিচে লিংক দিন।

কিন্তু কারো ইউটিউবের ভিডিওর নিচে কমেন্ট সেকশনে গিয়ে, ফেসবুকের কমেন্ট সেকশনে এবং যেখানে সেখানে গিয়ে আপনার এফিলিয়েট লিংক গুলো পোস্ট করবেন না। এতে স্পামিং হবে এবং সেই কোম্পানি কোন এক সময় আপনার একাউন্ট সাসপেন্ড করে দিবে।

এফিলিয়েট লিংক নিয়ে দিরেক্টলি প্রমোশন করা | Direct Link paid promotion.

এফিলিয়েট লিংক নিয়ে দিরেক্টলি প্রমোশন করা, এটা করা যাবেনা। আমাজন, থিম ফরেস্ট, আলীএক্সপ্রেস, এসব বড় বড় কোম্পানি।

এই মার্কেটপ্লেসের এফিলিয়েট প্রোডাক্টের লিংক সরাসরি ফেসবুকে বুষ্ট বা প্রমোশন করে দিলেন,
গুগল এডওয়ার্ড এর মাধ্যমে বুষ্ট করে দিলেন, এতে করে আপনার একাউন্টে সাসপেন্ড হয়ে যাবে।

আপনার ওয়েবসাইটে আপনি কন্টেন্ট বা আরটিকেল লিখতে পারেন এবং সেখানে আপনি এফিলিয়েট লিংক দিয়ে দিতে পারেন। এবং আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক এ আপনি বুষ্ট করতে পারেন।

তাতে করে কোনো সমস্যা নেই কিন্তু সরাসরি আমাজন, থিমফরেস্ট এর এফিলিয়েট লিং আপনি যদি ফেসবুকে বুষ্ট করে দেন, গুগলে গুগোল এডওয়ার্ডের মাধ্যমে যদি বুষ্ট করে দেন তাহলে আপনার একাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যাবে।
এই কোম্পানিগুলো এটা অ্যালাও করেনা।

সো মার্কেটপ্লেস লিং সরাসরি প্রমোশন করা থেকে বিরত থাকবেন।

ওয়েবসাইটের ভিজিটর দের কে এনালাইসিস না করা | Not analyzing visitors data.

এটি হচ্ছে ওয়েবসাইটের ভিজিটর দের কে প্রপারলি এনালাইসিস না করা। আপনার ওয়েবসাইটে যখন ট্রাফিক আসতে শুরু করবে আপনি অবশ্যই আপনার ট্রাফিক বিভাগে ভিজিটরদের ডাটা এনালাইসিস করবেন।

যেমন ভিজিটরদের বয়স কত? কি পরিমান ছেলেরা ভিজিট করতেছে? কি পরিমান মেয়েরা ভিজিট করতেছে? কোন কোন দেশ থেকে বেশি ভিজিট করতেছে সেগুলো আপনাকে এনালাইসিস করতে হবে। যেন এই ইনফরমেশন গুলোর উপর ভিত্তি করে পরবর্তী কন্টেন্ট বা আরটিকেল লিখতে পারেন।

ডাটা এনালাইসিস করার সবচেয়ে বেস্ট টুল হচ্ছে গুগল এনালাইটিক্স। এটা গুগলের একটি ফ্রি এনালাইটিক্স টুলস্।

আপনার ব্লগ অথবা ওয়েবসাইটের সাথে আপনি গুগল এনালাইটিক্স কে কানেক্ট করলেই আপনার ওয়েব সাইটে কি ধরনের ভিজিটর আসে, তাদের বয়স কতো? তারা কোন ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করে? স্মার্টফোন, ডেক্সটপ নাকি ল্যাপটপ? ছেলেদের পরিমাণ কত? মেদের পরিমাণ কত? এই ধরনের বিষয়গুলো আপনি আপনার গুগল এনালাইটিক্স এ দেখতে পারবেন।

এবং একটু মনোযোগ দিয়ে এনালাটিক্স করলে এর উপর ভিত্তি করে আপনি পরবর্তিতে কি ধরনের আর্টিকেল বা কন্টেন্ট লিখবেন তা নির্ধারণ করতে পারবেন, যে পরবর্তী কন্টেন্ট বা আরটিকেল গুলো কোন বিষয়গুলোর উপর দিলে আপনার জন্য বেটার হবে।

চিন্তার কোন কারন নেই, বিষয়গুলো এখন বুঝতে না পারেন আপনার ওয়েবসাইট ট্রাফিক আসলে গুগল এনালাইটিক্স এর মাধ্যমে তাদেরকে আপনি এনালাইসিস করবেন এবং ধীরে ধীরে বুঝতে পারবেন যে কিভাবে গুগল এনালাইটিক্স ব্যবহার করতে হয়। তাই অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বা ভিজিটরদের ভালোভাবে আপনি এনালাইজ করবেন।

অতিরিক্ত অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ব্যানার ব্যবহার করা | Using too much add bannars.

আর্টিকেল বা কন্টেন্টের মধ্যে অতিরিক্ত অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ব্যানার ব্যবহার করা। অনেক ওয়েবসাইট আছে আপনি ভিজিট করলে দেখবেন, চার দিকে শুধু অ্যাডভার্টাইজমেন্ট আর অ্যাডভার্টাইজমেন্ট। একটাতে ক্লিক করলে আরেকটা ওপেন হয়ে যায়।

এগুলো খুবই বিরক্তিকর বিষয়। তাই এই ধরনের অতিরিক্তকর ব্যানার এডস ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন কারণ! কেউই অ্যাডভার্টাইজমেন্ট পছন্দ করেনা। আপনার কথা চিন্তা করুন, আপনি কিন্তু শুধু বিঙ্গাপন দেখার জন্য আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করেন নি।

অ্যাডভার্টাইজমেন্ট আমরা কেউই লাইক করিনা কিন্তু অ্যাডভার্টাইজমেন্ট দেখতে হয় তবে সেটার একটা লিমিট থাকা উচিত অতিরিক্ত হলে করোর ভাল লাগবে না। তাই আপনার আরটিকেল অথবা কন্টেন্ট এর মধ্যে অতিরিক্ত বিঙ্গাপন ইউজ করবেন না।

যেমন, গুগল এডসেন্স এর নিয়ম অনুযায়ী একটি পেজের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি বিজ্ঞাপন অ্যাডভার্টাইজমেন্ট দেখাতে করাতে পারবেন। তিনটির বেশি করা যাবে না এতে পলিসি ব্রেক হবে এডসেন্স বাতিল হওয়ার চান্স বেড়ে যাবে।

আপনার ওয়েবসাইট ট্রাফিক বা ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটের আর্টিকেল বা কনটেন্ট পড়ার জন্য আসবে, অ্যাডভার্টাইজমেন্ট দেখার জন্য আসবে না। তাই অতিরিক্ত প্রফিটের আশায় চারিদিকে শুধু অ্যাডভার্টাইজমেন্ট বসিয়ে দিলেন এতে ভিজিটর বিরক্ত হবে এবং আপনার ওয়েবসাইটে দ্বিতীয়বার সে ভিজিটর ভিজিট করতে চাবে না। তাই এসব এড়িয় চলাই আপনার জন্য ভালো হবে।

ব্যবহারকারী ইউজারদের কাছ থেকে না শেখা | Not Learning From users feedback.

এই মিসটেকটি হচ্ছে ব্যবহারকারী ইউজারদের কাছ থেকে না শেখা। আপনার ওয়েবসাইটে যখন ভিজিটর আসবে আপনার কনটেন্ট এর নিচে বিভিন্ন ধরনের কমেন্ট করবে একেকজন একেকরকম তাদের মন্তব্য দিবে।

সেই মন্তব্যগুলো থেকে আপনাকে বিভিন্ন ধরনের তথ্য শিখে নিতে হবে। তারা কি বলছে খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। নতুন কি শিখতে চাচ্ছে নতুন কি জানতে চাচ্ছে এই বিষয়গুলো আপনাকে নোট করে রাখতে হবে এবং পরবর্তীতে সেগুলোর উপর কন্টেন্ট পাবলিশ করে দিতে হবে।

তাই আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক ভিজিটরদের ফিডব্যাক থেকে অবশ্যই আপনি বিভিন্ন ধরনের লিসন শেখার চেষ্টা করবেন এবং সেগুলোর উপর ডিপেন্ড করে পরবর্তীতে আরো নতুন নতুন আরটিকেল বা কন্টেন্ট পাবলিশ করবেন। এতে করে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটরদের বিশ্বাস এবং ভালোবাসা আরো বেড়ে যাবে পাশাপাশি আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ গ্রো হবে।

সুতরাং বন্ধুরা! এই ছিল কমন কিছু মিসটেক যেটা প্রায় অনেকেই করে থাকেন। আশা করছি এই জিনিসগুলো আপনি বাদ দিতে পারলে আপনি অনলাইনে ভালো কিছু করতে পারবেন। আপনার সুবিধার জন্য আমি প্রত্যেকটি মিসটেক আরো একবার করে আপনাকে মনে করিয়ে দিচ্ছি।

১/ ব্লগিং শুরু করার প্রথম দিন থেকেই রেভিনিউ আর্ন করার চেষ্টা করা।

২/ অতিরিক্ত অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন করবেননা।

৩/ কনটেন্ট ছাড়া অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ এপ্লাই করবেন না।

৪/ এফিলিয়েট লিংক যেখানে-সেখানে কপি পেস্ট করবেন না।

৫/ মার্কেটপ্লেসের লিংক নিয়ে সরাসরি বুষ্ট বা প্রোমোশন করা যাবেনা।

৬/ ওয়েবসাইটের ট্রাফিকদেরকে এনালাইসিস না করা। অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইট এর ট্রাফিকদেরকে আপনি এনালাইসিস করবেন।

৭/ আপনার কনটেন্ট এর মধ্যে অতিরিক্ত অ্যাডভার্টাইজমেন্ট প্লেস করবেন না। এতে ভিজিটররা বিরক্ত হবে।

৮/ আপনার ভিজিটর দের ফিডব্যাক থেকে লিসেন শিখুন এবং সেগুলোর উপর মনোযোগ দিয়ে পরবর্তী পোস্ট পাবলিশ করুন।

এই ছিল আজকের মত আপনার জন্য কিছু সাজেশন আমার পক্ষ থেকে। এগুলো ফলো করলে আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ারে ডেভলপমেন্ট দেখতে পাবেন।

1 thought on “কেন আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে ইনকাম হচ্ছে না! তার ৮ টি কারণ সহ সমাধান”

  1. That is a good tip especially to those fresh to the blogosphere.
    Short but very accurate info… Many thanks for sharing this one.
    A must read post!

    Here is my blog post 918kiss

    Reply

Leave a Comment