শিক্ষার্থীদের জন্য ১৩টি উচ্চ-বেতনভুক্ত অনলাইন চাকরি

শিক্ষার্থীদের অনলাইনে (online jobs for students) অর্থোপার্জনের জন্য ১৩ টি উচ্চ বেতনের চাকরি । আজকের এই পোষ্টে আমি আপনাকে 13 টি ডিফারেন্ট কাইন্ড অফ জব সম্পর্কে বলব। যে জব গুলোর বর্তমানে অনলাইনে হাই ডিমান্ড। ইভেন আমাদের দেশেও এই সেক্টর গুলোতে প্রচুর জব অপরচুনিটি তৈরি হচ্ছে ।

যেগুলো সম্পর্কে অবশ্যই ধারণা রাখা উচিত। এবং এই ১৩টি জবের পাশাপাশি সবার শেষে আমি আপনাকে আরেকটি অপর্চুনিটি অফ জবাব এ-র কথা বলব যেটা করার মাধ্যমে আপনি পড়াশোনা করেন আর যাই করেন তার পাশাপাশি একটা বারতি ইনকাম সোর্স আপনি তৈরী করতে পারেন।

এই ব্লগের মাধ্যমে আমি অনলাইন বিজনেস, ফ্রিল্যান্সিং, ইউটিউবিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যারিয়ার অপরচুনিটি নিয়ে আলোচনা করে থাকি। আপনি যদি আমাদের ওয়েবসাইটে একদম নতুন হয়ে থাকেন তবে আমি রিকুমেন্ট করছি এই ব্লগের সাথে আমার সাথে কানেক্টেড থাকতে যাতে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার উপায় বা বিষয়গুলো জেনে নিতে পারেন।

তাহলে চলুন আর দেরি না করে শুরু করে দেই। online jobs for students

সামাজিক মাধ্যম ব্যবস্থাপক | Social Media Manager

আপনি জেনে অবাক হয়ে যাবেন, পুরো পৃথিবী জুড়ে কোটি কোটি মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এগুলো।

কোন কোন সোশ্যাল মিডিয়ায় কত মানুষ একটিভ আছে।

  • ফেইসবুক 2.9 বিলিয়ন
  • ফেসবুক মেসেঞ্জার 1.2 বিলিয়ন
  • ইউটিউব 1.6 বিলিয়ন
  • ইনস্টাগ্রাম 1 বিলিয়ন
  • হোয়াটসঅ্যাপ 1.5 মিলিয়ন

10 লাখে 1 মিলিয়ন হয়, আর 1000 মিলিয়নে 1 বিলিয়ন হয়।

এত পরিমাণ মানুষ সোশ্যাল মিডিয়াতে একটিভ থাকার কারণে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলো কোম্পানির জন্য একটা লোভনীয় প্লেস হয়ে গিয়েছে তাদের প্রোডাক্ট এবং সার্ভিসগুলো কে প্রমোট করার জন্য।

প্রত্যেকটি কোম্পানির এ সোসিয়াল মিডিয়াগুলোতে বিজনেস পেজ বা একাউন্ট আছে। যেখান থেকে তারা তাদের প্রোডাক্ট সার্ভিস গুলোকে প্রমোট করে থাকে কাস্টমারদের কে সাপোর্ট দিয়ে থাকে।

তাদের সোসিয়াল মিডিয়া একাউন্ট এবং পেইজগুলো মেন্টেন করার জন্য তাদের সোসিয়াল মিডিয়া ম্যানেজার প্রয়োজন হয়ে থাকে, তাদের প্রোডাক্ট এবং সার্ভিসগুলো সম্পর্কের রেগুলার বেশি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার জন্য এবং
কাস্টমারদের বিভিন্ন প্রশ্নের আনসার দেওয়ার জন্য।

যার কারণে আমাদের দেশ সহ পুরো বিশ্বে সোসিয়াল মিডিয়া ম্যানেজার পোস্টটিতে জবের প্রচুর অপরচুনিটি তৈরি হচ্ছে। সোসিয়াল মিডিয়া ম্যানেজার মূলত কোম্পানির বিজনেস পেজগুলোকে মেনটেন করে থাকে। তাদের সার্ভিস সম্পর্কে পেইজ এ রেগুলার বাসিস পোস্ট করে থাকে তাদের। তাদের কাস্টমারদের বিভিন্ন প্রশ্নের আনসার দিয়ে থাকে। এবং বিভিন্ন সময় পেইড ক্যাম্পেইনে অফার করে থাকে। এবং সেই পেইড ক্যাম্পেইনের ডাটা এনালাইসিস করে তাদের সিনিয়রদের রিপোর্টিং উপরে থাকে।

আপনি সোসিয়াল মিডিয়া ম্যানেজার হিসাবে এটা ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারেন। যে কোন কোম্পানিতে জবে জয়েন করতে পারেন। এছাড়া অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে থেকেও অনেক কোম্পানি সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হায়ার করে নেয়। আপনি সেখানেও কাজ করতে পারেন।

আপনার জন্য একটা টিপস হচ্ছে, আপনার ফেভারিট বিভিন্ন ব্র্যান্ড কোম্পানিগুলোর সোসিয়াল মিডিয়া একাউন্টগুলোকে ফলো করুন এবং ইনস্টাগ্রামে হোক ফেসবুক বা ইউটিউবে দেখুন কিভাবে তাদের কাস্টমারদের কে তারা সহযোগিতা করছে এবং তাদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে ।

এতে করে আপনি কুইকলি একটা আইডিয়া পেয়ে যাবেন সোসিয়াল মিডিয়া ম্যানেজাররা কি ধরনের কাজ করে থাকে।

online jobs for students

গুগল এডওয়ার্ড স্পেশালিস্ট | Google AdWords Specialist

গুগোল এডোয়ার্ড গুগলের একটি কোম্পানি। গুগল এডওয়ার্ড গুগলের বিভিন্ন প্লাটফর্মে কোম্পানিদের কে সুযোগ করে দিয়েছে তাদের প্রোডাক্ট এবং সার্ভিস গুলোকে প্রমোট করার জন্য। আপনি ইউটিউব ভিডিওর উপরে যে অ্যাড দেখতে পান, ইউটিউবে সাইডবার টিপে যে এড দেখতে পান, অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর মধ্যে যে এড দেখতে পান, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করলে দেখুন চারিপাশে বিভিন্ন কোম্পানির এডভেটাইজ চলে এই সবগুলো হচ্ছে গুগল এডওয়ার্ডস।

বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট এন্ড সার্ভিস গুলোকে গুগল এডওয়ার্ড এর মাধ্যমে পেইড মার্কেটিং করে থাকে।
নতুন পুরাতন প্রায় প্রত্যেকটি কোম্পানি তাদের এই এডোয়ার্ড ক্যাম্পেইন গুলোকে মার্কেট করার জন্য এডোয়ার্ড স্পেশালিস্ট এবং ডাটা এনালাইসিস দেরকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন তাদের প্রোডাক্ট গুলো কে অনলাইনের রাইট কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য। যার কারণে একটা বড় মার্কেট তৈরি হয়েছে এ গুগল এডোয়ার্ড এক্সপার্টদের জন্য।

আপনি চাইলে গুগল এডোয়ার্ড এক্সপার্ট হিসাবে বিভিন্ন কোম্পানিকে সহযোগিতা করার মাধ্যমে একটা অনলাইন ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারেন।

এডোয়ার্ড স্পেশালিষ্টদের কাজ কি?
এডোয়ার্ড স্পেশালিষ্টদের মূলত দায়িত্ব হচ্ছে,,

  • কোম্পানির হয়ে গুগল এডোয়ার্ডে এড ক্যাম্পেইন ক্রিয়েট করা।
  • সেই ক্যাম্পেইন গুলোকে অপটিমাইজ করা।
    split-screen করা।
  • সঠিক কাস্টমারের কাছে কোম্পানির প্রোডাক্ট সার্ভিসগুলো পৌঁছে দেয়া।
  • কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাওয়ারনেস এবং সেলস বৃদ্ধি করা।
  • এবং ক্যাম্পেইন গুলো থেকে যে ডাটা গুলো পাওয়া যায় সেগুলো এনালাইসিস করা এবং সিনিয়রদের রিপোর্টিং করা।

আপনি দেশি-বিদেশি যেকোনো কোম্পানিকেই তাদের এই এডোয়ার্ড ক্যাপ্টেন গুলো ম্যানেজমেন্ট করে দিতে সহযোগিতা করতে পারেন এবং এটার মাধ্যমে অনলাইনে ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারেন। ফিক্স জব চাইলে কোন কোম্পানিতে করতে পারেন বা ফ্রিল্যান্সার হয়ে কন্ট্রাকে কাজ করতে পারেন।

online jobs for students

ডাটা এন্ট্রি জবস | Data entry jobs

যদিও ডাটা এন্ট্রি জব গুলো খুব ভালো পেমেন্ট করে না তারপরও স্টুডেন্ট হিসেবে একটা এক্সট্রা আর্নিং আপনি ব্যবহার করতে পারেন ডাটা এন্ট্রি জব গুলো করার মাধ্যমে।

অনলাইনে অনেক ধরনের ডাটা এন্ট্রি জব এভেলেবেল আছে। আপনার শুধুমাত্র কম্পিউটার অথবা স্মার্টফোনে ইন্টারনেট কালেকশন লাগবে কাজটি শুরু করার জন্য

চলুন কয়েক ধরনের ডাটা এন্ট্রি জব আমি আপনাকে দেখিয়ে দেই

  • টেক্সট ক্রিয়েশন জব

ক্লায়েন্ট আপনাকে একটা টপিক দিবে, যেমনঃ একটি শহরের নাম, বা একটি হোটেলের নাম, অথবা কোন প্রোডাক্ট । আপনি সেই টপিকের উপরে একটু রিসার্চ বা পড়াশোনা করে সেটার উপরে একটা ডেসক্রিপশন লিখে দিবেন।

  • আরেক ধরনের ডাটা এন্ট্রি জব হচ্ছে সার্ভে

কোম্পানিরা রেগুলার বেসিস সারভে করে থাকে, তাদের প্রোডাক্ট সার্ভিস সম্পর্কে কাস্টমারদের ফিডব্যাক পাওয়ার জন্য। যেন তারা তাদের প্রোডাক্ট সার্ভিস গুলোকে রেগুলার বেসেস আপডেট করতে পারে কাস্টমারদের ফিডব্যাক অনুযায়ী।
আপনি সেই সার্ভে গ্রুপে জয়েন করতে সৎ এবং নির্ভুল ওপেনিয়ন দিবেন সে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে।একটা ফর্ম দিবে বেসিক্যালি ওই ফর্মটা ফিলাপ করতে হবে।

আপনি যদি শহরের দিকে থাকেন তবে দেখবেন, প্রায়ই বিভিন্ন কোম্পানীর রেপ্রেজেন্টেটিভ আপনাকে আপনার নাম জিজ্ঞেস করে, আপনি কি ধরনের প্রোডাক্ট ইউজ করেন? কেন ইউজ করতেছেন? আপনার নাম, ফোন নাম্বার, ইমেইল আইডি এই তথ্যগুলো আপনার কাছ থেকে জিজ্ঞেস করে নোট করে নেয়।
যেমনঃ ধরুন একটি সিগারেট কোম্পানি।
এইটাই হচ্ছে সার্ভে। সে কোম্পানিগুলো সার্ভে করতেছে। যেন তাদের প্রোডাক্ট সার্ভিস গুলোকে আরো ভালো ভাবে আপডেট করতে পারে এবয় কাস্টমার দেরকে বেষ্ট এক্সপেরিয়েন্স দিতে পারে।

তো অনলাইনে এমন লক্ষ-কোটি কোম্পানি আছে যারা অনলাইনে সার্ভে করে থাকে। আপনি সেই ধরণের কোম্পানি গুলোর সার্ভে রিলেটেড কাজ করতে পারেন।

  • আরেক ধরনের ডাটা এন্ট্রি কাজ হচ্ছে অ্যাপ টেস্টিং করা

Android বা iOS এর যে প্লে স্টোর আছে সেই প্লে স্টোরে প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ অ্যাপ লঞ্চ হচ্ছে। বিভিন্ন সফটওয়্যার কোম্পানি এই Apps তৈরী করে আপলোড করে থাকে এবং তাদের ইউজারদের ফিডব্যাক পাওয়ার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ টেস্টিং জব পাবলিশ করে।

আপনাকে আপনার স্মার্টফোনে সেই ধরনের আ্যাপস গুলো ইন্সটল করতে হবে এবং সেই Spss এর বিভিন্ন বিষয়ে টেস্টিং করতে হবে যেটা সেই জব ডেসক্রিপশনে লেখা থাকবে।
টেস্টিং করে আপনি কি কি রিপোর্ট পেলেন সেটার একটি রিপোর্ট জানাতে হবে। এটাই কাজ।

ডাটা এন্ট্রি কাজ যদি আপনি করতে চান তবে আপনার জন্য একটা পরামর্শ থাকবে সেটা হচ্ছে ক্যাপচা সেলফি এন্ট্রি কাজ গুলো করা থেকে বিরত থাকবেন। এগুলো করে আপনার ইন্টারনেটের বিল উঠবে না অন্যান্য যেগুলো আছে সেগুলো করলে সেগুলোর তুলনায় যথেষ্ট ভালো ইনকাম করতে পারবেন।

আমি এখানে ডাটা এন্ট্রি কোম্পানির ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক দিয়ে দিয়েছি যে ওয়েবসাইটে আপনি সাইন আপ করে আপনার অ্যাকাউন্টের আন্ডার এই ধরনের কাজ গুলো পেতে পারেন।

কলকাতার স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে বা আপনার কম্পিউটার ব্যবহার করে এ ধরনের অ্যাপ টেস্টিং বা সার্ভে বা বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর সার্ভিস সম্পর্কে কিছুটা ডেসক্রিপশন লেখার মাধ্যমে আপনি টাকা আয় করতে পারবেন।

পাওয়ারপয়েন্ট প্রেসেন্টেশন ডিজাইনার | PowerPoint Presentation Designer

আপনি যদি কখনো কোনো সেমিনার অ্যাটেন্ড করে থাকেন বা ইউটিউবে কোন সেমিনার রিলেটেড ভিডিও দেখে থাকেন, তবে দেখবেন একটা বড় স্ক্রিনে অনেক কিছু দেখানো হয়। আর সে বড় স্ক্রিনে যে বিষয়গুলো দেখানো হচ্ছে ওইটাই হচ্ছে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন।

শুধুমাত্র কনফারেন্সে না বিভিন্ন বিজনেস মিটিং ক্লাস রুম এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে পাওয়ারপয়েন্ট প্রেসেন্টেশন ব্যবহার করা হয়।

তাই কোম্পানিরা এবং প্রফেশনালসরা পাওয়ারপয়েন্ট এক্সপার্টদের হায়ার করে থাকে তাদের কন্টেন গুলোকে দারুণভাবে ডিজাইন করিয়ে নিতে। যেন তারা সুন্দরভাবে এটাকে প্রেজেন্ট করতে পারে তাদের ক্লায়েন্টদের কাছে।

আপনি সেই ধরনের কম্পানির কাছে প্রফেশনালদের জন্য বিউটিফুল পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন তৈরি করে দিতে পারেন তাদের কনটেন্ট দিয়ে। তারাই আপনাকে কন্টেন্ট প্রোভাইড করবে আপনি শুধু পাওয়ারপয়েন্ট দিয়ে সুন্দরভাবে ডিজাইন করে দিবেন।

যেটা দ্বারা আপনি ভালভাবে আর্নিং করতে পাবেন। যদি আপনি কোন লোকাল কাজ না পান তবে অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে এই ধরনের কাজের অভাব নাই।
আপনি ঘরে বসেই এ ধরনের কাজগুলো করতে পারেন।

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট | Virtual Assistant

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর কাজ হচ্ছে তার বস বা ক্লায়েন্টের ইমেইলগুলো মেনটেন করা, তার ফিজিক্যালি সমস্যা ফিক্স করা, বিজনেস পার্টনার দের সাথে কমিউনিকেশন করা, ক্লায়েন্টের বিষয় নিয়ে রিচার্স করা, ডাটা কালেকশন করা এবং সেগুলো ক্লায়েন্টকে রিপোর্টিং করা।

অনলাইনে ছোট-মাঝারি লাখো-কোটি কোম্পানি আছে যে কোম্পানিগুলোর মালিকগণ প্রচুর ব্যস্ত থাকে বিভিন্ন কাজে তাদের ইমেইল গুলোকে হ্যান্ডেল করা, বিভিন্ন প্রিজমেটিক স্পিচ করা, বিজনেস পার্টনার সাথে যোগাযোগ করা, বিভিন্ন ধরণের ডাটা রিচার্স করার মতো সময় তাদের থাকেনা। তাই তারা ভার্চুয়াল এসিস্টেন্ট নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
সেই ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাজ হচ্ছে এই বিষয়গুলোতে তাদেরকে সহযোগিতা করা যেন তারা তাদের ক্লায়েন্টদের সাথে বিজনেস রিলেটেড ইম্পর্ট্যান্ট কাজগুলোতে বেশি কন্সেন্ট্রেশন করতে পারে।

আপনি চাইলে আপনার ক্লায়েন্টকে বা যেকোন কোম্পানিকে হেল্প করতে পারেন এই ছোটখাটো বিষয় গুলো বের করে দেয়ার জন্য।

আপনি যদি কোনো পপুলার ডক্টরের চেম্বারে যান, যাওয়ার পড়ে দেখবেন তার এসিস্টেন্ট থাকে, যে এসিস্টেন রোগীদের সিডিউল মেনটেন করে, তাদের রিপোর্টগুলো হস্তান্তর করে। সো ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়াররা যেমন প্রফেশনাল, ঠিক সে রকম অনলাইনে বিভিন্ন রকম লাখো-কোটি কোম্পানি আছে বা মালিক যারা প্রচুর ব্যস্ত থাকে বিভিন্ন কাজ নিয়ে। তাদেরও এসিস্টেন্ট এর প্রয়োজন হয় তাই আপনি চাইলে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে জব করতে পারেন অনলাইনে।

অনলাইনে অনেক মার্কেটপ্লেস আছে fiver.comfreelancer.comupwork.com এ ধরনের মার্কেটপ্লেসের আপনি ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে অনেক ধরনের জব দেখতে পাবেন।
সেখান থেকে এপ্লাই করার মাধ্যমে আপনি এ ধরণের জব নিতে পারবেন।

এছাড়া বাংলাদেশ bikroy.com/jobs bdjobs.com এগুলো ভিজিট করেও সেখানে এসিস্টেন্ট রিলেটেড বিভিন্ন জব সার্চ করলে আপনি সেখানে এ ধরনের জব দেখতে পাবেন এবং সেগুলোর ডেসক্রিপশন এ সম্পর্কে যথেষ্ট ভাল ধারণা পেয়ে যাবেন।

ট্রানস্ক্রিপশনস বা অনুবাদক | Transcriptions job

ট্রানস্ক্রিপশনসইস্ট শব্দের অর্থ হচ্ছে অনুবাদক। অনুবাদকরা মূলত একটি ভাষার কনটেন্টকে আরেকটি ভাষায় কনভার্ট করে দেয়। ধরুন কেউ একজন বাংলাতে একটি কনটেন্ট বা আর্টিক্যাল লিখল এবং সে সেটি বাংলা থেকে ইংরেজিতে কনভার্ট করতে চাচ্ছে। কিন্তু সে ইংরেজিতে একটু দুর্বল। তাই তাকে ঐ বাংলা আর্টিকেলগুলোকে ইংরেজিতে কনভার্ট করতে সহযোগিতা করতে পারেন এবং এর বিনিময়ে একটি চার্জ নির্ধারণ করতে পারেন।

এই কাজটি করার জন্য কিছু অতিরিক্ত স্কিল এর প্রয়োজন। এ ছাড়াও অনুবাদ রিলেটেড আরো অনেক ধরনের কাজ অনলাইনে পাওয়া যায়। অনুবাদ রিলেটেড আরো একটি কমন কাজ আছে সেটি হলো অডিও ফাইল থেকে টেক্সট কনভার্ট করে দেয়া।

অর্থাৎ আপনি একটি অডিও শুনবেন এবং সেখানে যে কথাগুলো বলা হচ্ছে সেগুলো আপনি লিখে ফেলবেন। এবং সেটাই ক্লায়েন্টকে জমা দিয়ে দিবেন। এই ধরনের কাজগুলো অনলাইনে পাওয়া যায় এবং আপনি অনুবাদক হিসেবে এই ধরনের কাজগুলো করতে পারেন।

আমি এখানে অনুবাদক হিসেবে কাজের জন্য এরকম দুইটি কোম্পানির ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিয়েছি।
transcrcribeme.com
Rev.com
এজনি কোম্পানিতে এ ধরনের জব আপনি খুঁজে পাবেন।

অনলাইন কনসালটেন্ট বা পরামর্শদাতা | Online consultant

কনসালটেন্ট মানে হচ্ছে পরামর্শক। আপনার কোন বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকলে সেটার উপরে আপনি কনসালটেন্সি সার্ভিস দিতে পারেন পুরো ওয়ার্ল্ডে বিভিন্ন ক্লায়েন্টেদেরকে। ধরুন আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাচ্ছেন। কিন্তু বুঝতে পারছেন না কিভাবে তৈরি করবেন, সেই সম্পর্কে যদি আপনারা আমার কাছে জানতে চান তাহলে আমি আপনাকে বলে দিতে পারি, আপনার জন্য কি ধরনের ওয়েবসাইট ভালো হবে এবং আপনি কিভাবে ওয়েবসাইট গুলো তৈরি করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আমি একজন কনসালটেন্সিক।

সবচেয়ে সহজ উদারহণ হচ্ছে,
ধরুন একজন ডক্টর! আপনার যদি হেল্থ রিলেটেড কোন প্রবলেম হয় তাহলে আপনি ডাক্তারের কাছে পরামর্শ চান বা আইন কানুন সম্পর্কে কোনো পরামর্শ প্রয়োজন হলে আপনি ব্যবহার একজন আইনজীবীর কাছে যাবেন। তারা হচ্ছে পরামর্শক।

যে কোন এভারেজ মানুষের কাছ থেকে আপনি এ ধরনের পরামর্শ পাবেন না কারণ এর জন্য একজন ডক্টর অথবা একজন আইনজীবী একটি স্পেসিফিক বিষয়ের উপরে যথেষ্ট এক্সপার্ট এবং সে এক্সপার্ট প্রিমিয়াম পরামর্শ দিয়ে থাকে। ঠিক একই ভাবে আপনি যদি কোন বিষয়ে এক্সপার্টস নলেজ অর্জন করে ফেলেন সে বিষয়টার উপর আপনি অনলাইনে কনসালটেন্সি সার্ভিস দিতে পারবেন পুরো পৃথীবিতে।

ধরুন আপনি বিজনেস বোঝান, অনলাইনে অনেক উদ্যক্তা আছে যারা তাদের নিজস্ব বিজনেস শুরু করতে চায় এবং সেই রিলেটেড বিভিন্ন এডভাইস তারা নিয়ে থাকেন। তাদেরকে সেই রিলেটেড এডভাইস দিতে পারেন। আমি যেমন এই ব্লগে অনেকগুলো বিজনেস রিলেটেড দিয়েছি পোষ্ট করে থাকি, অনলাইনে ইনকাম সম্পর্কে পোস্ট লিখে থাকি, স্বল্প মূল্যে ওয়েব সাইট তৈরি করার বিভিন্ন টিটোরিয়াল লিখে থাকি।

আরেকটি উদাহরণ হচ্ছে,
ধরুন আপনি এসইও এক্সপার্ট। আপনি তো জানেন “যে কিভাবে একটা ওয়েবসাইট গুগলে ব্যাংকিং করতে হয়”। তাহলে যারা নতুন ওয়েবমাস্টার তাদের ওয়েবসাইট শুরু করছে তাদেরকে
সেই এসইও রিলেটেড পরামর্শ দিতে পারেন।

আপনি জেনে অবাক হয়ে যাবেন যে, প্রচুর মানুষে এই পরামর্শগুলো অনলাইনে কিনে থাকে। দেখুন একজন ক্লায়েন্ট সে যদি এসইও নিজে শিখতে চায় অথবা কিভাবে একটা ওয়েবসাইট এ গুগল রেংকিং করতে হবে ফ্যাক্টরগুলো শিখতে গেলে তাকে মিনিমাম ছয় মাসের ট্রেনিং করতে হতে পারে।

বিদেশিরা বলা আপনার ক্লায়েন্টরা আপনাকে কিছু ডলার পেমেন্ট করে রেডিমেড একটা ইনফরমেশন পেয়ে গেল। অবিয়েসলি আপনি জাস্ট তাকে পরামর্শ দিবেন, এসইও করে দিবেন না। তারা এসইও নিজে করে নিবে কিন্তু তারা এটা রেডিমেড ধারণা পেয়ে যাবে জেসিও কিভাবে করতে হয়। আর তখন হয়তো ওই ক্লায়েন্ট এ-র ওয়েবসাইট এসইও করতে ছয় মাস সময় নিতে হবে না।

এরকম রিলেটেড যেকোন বিষয়ের উপরে আপনি কনসালটেন্সি সার্ভিস প্রোভাইড করতে পারেন পুরো ওয়াল্ডের ক্লায়েন্টদেরকে। আপনি fiver.com মার্কেটপ্লেস এ সার্চ বক্সে গিয়ে যদি লেখেন “Business consultant” তাহলে দেখবেন এখানে বিজনেস কনসালটিং রিলেটেড অনেকগুলো সার্ভিস আপনি দেখতে পাবেন।

যেখানে পুরো ওয়াল্ড থেকে প্রচুর মানুষ এ ধরনের কনসালটেন্সি সার্ভিস সেল করছে অনলাইনে। এটা জাস্ট এক্সামপল।
সো আপনি চাইলে এই ধরনের অনলাইনে জব অর্থাৎ কনসালটেন্সি জবগুলো করতে পারেন।

এসইও স্পেশালিস্ট | SEO Specialist

এসইও স্পেশালিস্টদের বর্তমানে অনলাইনে হাই ডিমান্ড এবং এসইও স্পেশালিষ্টদের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রত্যেকটি কোম্পানির নিজস্ব ওয়েবসাইট আছে বা নতুন কোম্পানিগুলো তাদের ওয়েবসাইট ক্রিয়েট করছে।

এবং তাদের ওয়েবসাইটকে গুগোল রেংকিং এ নিয়ে আসার জন্য তাদের ওয়েবসাইটের এসইও করতে হয়। যার জন্য তারা অনলাইন থেকে এসইও এক্সপার্টদের হায়ার করে থাকে।

এসইও স্পেশালিস্টদের কাজ হয়ে থাকে একটি ওয়েবসাইট অডিট করা, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করা, ইউজার ফ্রেন্ডলি করা, তার যেই রিলেটেড ওয়েবসাইট সেই রিলেটেড কনটেন্ট বা আর্টিকেল আছে কিনা সেটার পর্যবেক্ষণ করা এবং কোন প্রবলেম থাকলে সেটাকে ফিক্স করা বিভিন্ন গুগল কিওয়ার্ড রিসার্চ করা, প্রয়োজনে ওই কোম্পানির যে রিলেটেড প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সেই রিলেটেড বিভিন্ন আর্টিকেল পাবলিশ করা এবং ব্যাকলিংক তৈরি করা।

অর্থাৎ ক্লায়েন্টের সাইটকে গুগল রেংকিং এ নিয়ে আসার জন্য যা যা করা প্রয়োজন সে সমস্ত কাজগুলো করা। যেগুলো একটু আগে আমি আপনাকে বললাম।

আপনি লোকাল বা ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি দেরকে তাদের ওয়েবসাইট র্যাঙ্কিংয়ের সহযোগিতা করতে পারেন এই জবটা অনলাইনে অল টাইম এর ডিমান্ড আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
এবং এই জবটি করে আপনি বিপুল পরিমাণে অনলাইনে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার | WordPress developer

ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে অনেকবারই বলেছি তারপর আবার বলছি। ওয়ার্ডপ্রেস একটা ওয়েবসাইট building-tools. যেটা দিয়ে যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।

বিভিন্ন কোম্পানির themeforest.net মত মার্কেটপ্লেস থেকে বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে প্রিমিয়াম ফ্রি থিম বা প্লাগইন কিনে তাদের বিজনেসের জন্য তারা ওয়েবসাইট তৈরী করে নেয়।

তো অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় এই কোম্পানিগুলো প্রিমিয়াম থিম গুলো কিভাবে ব্যবহার করতে হয় প্লাগিনগুলো কিভাবে ব্যবহার করতে হয় তা কিভাবে কাস্টমাইজ করতে হয় তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেটা তারা পারেনা।

যার জন্য অনলাইন থেকে তারাই ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের কে হায়ার করে নেয় তাদেরকে দিয়ে তাদের সাইটের ডেভলপ করে নেওয়ার জন্য।

তাই আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেসের প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগিন এর ব্যবহার শিখে নিতে পারেন তাহলে আপনি অনলাইনের বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারবেন। যেমন fiver.com freelancer.com upwork.com এগুলো তে।

আপনাকে কাজটি করার জন্য কোডিং শিখতে হবে না। শুধুমাত্র আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেসের প্রিমিয়াম ফ্রি প্লাগ-ইন গুলোর ব্যবহার খুব ভালোভাবে শিখতে হবে। যখন আপনি শিখে ফেলবেন তখন ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি “যেকোন প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলতে পারবেন”।

যেটাকে ব্যবহার করে অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে জব করতে পারবে একজন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার হিসেবে।

ভয়েস ওভার সার্ভিস | Voice over service

আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে একটা স্ক্রিপ্ট দিবে আপনি সেটাকে আপনার ভয়েস দ্বারা রেকর্ড করে অডিও ফাইল হিসাবে প্রেরণ করবেন।
এই ইউটিউব ভিডিও রেভ্যুলেশন নিয়ে আসার পরেই ভয়েস ওভার এক্টরদের ডিমান্ড আরো বেড়ে গেছে।

শুধুমাত্র অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ক্লায়েন্টরাইনা বরং বিভিন্ন ইউটিউবারের ভয়েস অ্যাক্টর প্রয়োজন তাদের কন্টেন্ট গুলোকে খুব সুন্দর ভাবে অ্যাট্রাক্টিভ ভাবে প্রেজেন্ট করার জন্য।

আপনি কিন্তু অনেক ভিডিও দেখবেন ইউটিউবাররা ক্যামেরার সামনে কথা বলে না। কিন্তু বিভিন্ন বিষয়ে তারা ইনফরমেশন, স্লাইডশো, বিভিন্ন ধরনের রিভিউ স্কিন রেকর্ড এর মাধ্যমে দিয়ে থাকে। ওই ওই ভিডিওর পিছনে যে অডিওটা সেটাই হচ্ছে ভয়েস ওভার।

এমন অনেক ভিডিও আপনি দেখেন যেগুলোর ভয়েস সেই ইউটিউব দেয় নি। হয়তো কারো কাছ থেকে আউটসোর্স করে নিয়েছে। সো, আপনি একজন ভয়েস অ্যাক্টর হিসাবে কাজ করতে পারেন। আপনার ভয়েস যদি অ্যাট্রাক্টিভ হয় ভালোভাবে সেখানে কথা বলতে পারেন তাহলে আপনার ভয়েস টা কে আপনার সার্ভিস হিসেবে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের কাছে প্রকাশ করতে পারেন।

আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে রেডিমেট আইসক্রিম একটি স্ক্রিপ্ট দিবে সেই স্ক্রিপ্টে প্রফেশনালি সুন্দরভাবে রেকর্ড করে দেবেন কোন ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ বা সাইড সাউন্ড যেন না থাকে। যেহেতু এটা আপনার প্রফেশনাল জব। এই জন্য অনলাইনে এই কাজের একটা ভালো ডিমান্ড আছে।

এবার ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেস ওপেন গুলোতে এই কাজ করতে পারেন, ইউটিউবে করতে পারেন, ইউটিউবে আপনি কমিউনিকেট করে বিভিন্ন ভাবে এই কাজ নিতে পারেন। এবং সেগুলো করার মাধ্যমে আপনি অনলাইন থেকে যথেষ্ট পরিমাণে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

টেকনিক্যাল সাপোর্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ | Technical Support Representative

টেকনিক্যাল সাপোর্ট রিপ্রেজেন্টেটিভরা মূলত কাস্টমার সাপোর্ট সার্ভিস দিয়ে থাকে।
আমি যদি কখনো আপনার মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক কোম্পানি বা আপনার ব্যাংকে কখনো ফোন দেন তাহলে দেখবেন কাস্টমার সাপোর্ট থেকে আপনার সাথে কথা বলে। আপনার কোন সমস্যা থাকলে সমস্যাটা তারা সমাধান করে দেয়।

এবার আপনার ইন্টারনেট ডাটা প্যাক নিয়ে সমস্যা হোক বা আপনার একাউন্টে কত টাকা জমা আছে ব্যাংকে আপনি জানতে চাইলেন তা সম্পর্কে হোক। তারা কিন্তু তাদের সাপোর্ট ফোরাম এর মাধ্যমে আপনাকে জানিয়ে দেয়। তো এই যে জব গুলো যারা করছে তারা কিন্তু কাস্টমার সাপোর্ট এ জব করছে। কাস্টমার তাদের ফোন করলে তাদের সমস্যাগুলোকে তারা সমাধান করে দিতে সহযোগিতা করে।

একইভাবে এখন অনেক কোম্পানির অনলাইনে যাদের ওয়েবসাইট আছে, যাদের সোসিয়াল মিডিয়া পেজ আছে যে সোশ্যাল মিডিয়া পেইজগুলো থেকে বা ওয়েবসাইট থেকে তারা কাস্টমারদের কে সাপোর্ট দিয়ে থাকে।

আপনি চাইলে একজন কাস্টমার সাপোর্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে জব করতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন কোম্পানির তাদের কাস্টমারদের কে সহযোগিতা করার জন্য। এজন্য অবশ্যই আপনাকে সে কোম্পানির প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে একটু স্টাডি করে নিতে হবে। যেন তাদের কাস্টমারের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর আপনি দিতে পারেন।
এবং এই কাজের অধিক মূল্য রয়েছে অনলাইনে।

ইমেইল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ | Email Marketing Executive

ইমেইল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভরা মূলত বিভিন্ন কম্পানির প্রোডাক্ট এবং সার্ভিস বা বিভিন্ন কোম্পানির নিউজগুলো ইমেইলের মাধ্যমে তাদের কাস্টমারদেরকে জানিয়ে থাকে।

বা বিভিন্ন অফার ডিসকাউন্ট থাকলে সে বিষয়গুলো সম্পর্কে কাস্টমারদের কে ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে থাকে।

এইজন্য ইমেইল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভদেরকে ইমেইল টেমপ্লেট ডিজাইন করা জানতে হয়। যেটা শেখার জন্য আসলে কোন কোডিং স্কিল এর প্রয়োজন নেই। অনলাইন এ রকম অনেক সফটওয়্যার আছে যেগুলো ব্যবহার করে একদম প্রফেশনাল ইমেইল টেমপ্লেট তৈরি করা যায়।

আমি নিচের কমেন্টে ফ্রি প্রিমিয়াম দুই ধরনের ইমেইল টেমপ্লেট তৈরি করার সফটওয়্যার লিঙ্ক দিয়ে দিয়েছি আপনি গিয়ে দেখে চেক করে আসুন তাহলেই বুঝতে পারবেন ইমেইল টেমপ্লেট গুলো দেখতে কেমন হয়।

তাহলে আপনি ইমেইল মার্কেটার হিসেবে বিভিন্ন কোম্পানিতে জব করতে পারেন এবং সেই কোম্পানির প্রোডাক্ট সার্ভিসেস বিভিন্ন নিউজ আপডেট সিস্টেম সম্পর্কে কাস্টমারদের কে আপনি জানতে সাহায্য করতে পারেন।

আপনি যদি ইমেইল একাউন্ট ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনার ইমেইলে বিভিন্ন ধরনের ইমেইল চলে আসে। এই ইমেইল গুলো কিন্তু অটোমেটিক্যালি আসে না কেউ না কেউ আপনাকে এগুলো পাঠাচ্ছে, তারপর মালিক পক্ষ বস কোম্পানির পক্ষ থেকে।

আপনি চাইলে ইমেইল মার্কেটিং শিখে নিতে পারেন এবং বিভিন্ন কোম্পানিতে ইমেইল মার্কেটিংয়ে সহযোগিতা করতে করার মাধ্যমে অনলাইনে অনেক পরিমাণে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

ওয়েবসাইট বা সফটওয়্যার বা ডোমেইন নেম ফ্লিপিং করা | Flipping a website or software or domain name

যদিও এটা কোন জবাব না। ফ্লিপ্পা বা ফ্লিপ্পা প্লেয়ার নামে অনেক জনপ্রিয় দুটি মার্কেটপ্লেস আছে। যেখানে আপনার কেনা ডোমেইন নেম বা নিজের ওয়েবসাইট ভালো মূল্যে বিক্রি করতে পারেন।

কিছুদিন আগে আমি নিজেও একটি আর্টিকেল রিলেটেড ওয়েবসাইট এখানে বিক্রি করেছি 4,000 হাজার ডলারে।
বেসিক্যালি ফ্লিপ্পা বা এম্পায়ার ফ্লিপ্পা হচ্ছে এক ধরনের মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনার অ্যাপস বা ওয়েবসাইট বা ডোমেইন নেম আপনি অনেক ভালো দামে সেল করতে পারেন।

আপনার যদি কোন ওয়েবসাইট থাকে যেখানে আপনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করছেন ব্লগিং করছেন সে সাইটটিকে আপনি এই মার্কেটে সেল করে একটি ভালো পরিমাণ এর অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

আপনি যদি কোন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করেছেন কোন আইওএস অ্যাপস তৈরি করেছেন সেটা আপনি মারকেটপ্লেসেস সেল করবেন, যদি কিছু সংখ্যক ডাউনলোড থাকে, আপনার ওয়েবসাইটে খুব ভালো ভিজিটর থাকে বা একটা ভালো মানের ডোমেইন কিনতে পারেন চিন্তা ভাবনা করে তবে সেই ধরনের ডোমেইনগুলো আপনি মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করে টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

তো এটাও খুব জনপ্রিয় একটি উপায় অনলাইন থেকে ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করার। যদিও এটা কোন জব না, তারপরও আমি আপনাকে বলে দিলাম।

এই হল সেই বোনাস অপশনটি

রাইড শেয়ারিং জব |  Ride sharing job

যদিও এটা অনলাইন বেজ কোন জব না, আপনাকে এটা অফলাইনে করতে হবে। রাইড শেয়ারিং জব বলতে বোঝায়! আপনার যদি কোন কার থাকে বা বাইক থাকে অথবা বাইসাইকেল থাকে তাহলে এগুলোর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন মানুষকে রাইড শেয়ার করতে পারেন এবং উবার এবং পাঠাও এই জাতীয় অ্যাপগুলোকে ব্যবহার করে আপনি রাইড শেয়ারিং জব করতে পারেন।

এবং সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে এ-ই জবটিতে পূর্ণ স্বাধীনতা আছে। প্রচুর স্টুডেন্ট আছে যাদের পড়াশোনার পাশাপাশি পার্টটাইম একটা জবের প্রয়োজন। কিন্তু পর্যাপ্ত জব অপরচুনিটি না থাকার কারণে স্টুডেন্টরা চাইলেও পড়াশোনার পাশাপাশি পার্ট টাইম জব করতে পারত না।

তবে এখন এধরনের অপরচুনিটি গুলো কিন্তু তৈরি হয়ে গিয়েছে। আপনার কাছে একটি বাই-সাইকেল একটা বাইক থাকলে বা কার থাকলে সেগুলো কে ব্যবহার করে বিভিন্ন মানুষকে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে আপনি আপনার ফ্রী সময়গুলোকে ব্যবহার করে একটা আর্নিং করতে পারেন এবং ভালো মানের অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

নির্দিষ্ট সময়ের কোনো ঝামেলা নেই যতটুকু সময় আপনি ফ্রি আছেন ততটুকু সময় আপনি কাজ করতে পারলেন। সুতরাং এই রাইড শেয়ারিং জব একটি বেস্ট অপশন স্টুডেন্টদের জন্য। যারা পড়ালেখার পাশাপাশি পার্টটাইম চাকরি করতে চায়। আপনি ওভার এবং পাঠাও এর মত এই অ্যাপ গুলো ব্যবহার করতে পারেন একটা পার্টটাইম জব করার জন্য।

আশা করছি আপনি আজকে কিছুটা হলেও নতুন কিছু শিখতে পেরেছেন। নিচে কমেন্ট করে আপনার ফিডব্যাক মতামত প্রশ্ন যা আছে সব লিখে ফেলুন আমি প্রত্যেকটি কমেন্ট খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ি। যদিও প্রত্যেকটি কমেন্টের আনসার দেওয়ার সুযোগ পাইনা। তবে প্রত্যেকটা কমেন্ট মনোযোগ দিয়ে পড়ার পর যেটা যেটা খুবই প্রয়োজন সেগুলো নোট করে রাখি এবং পরবর্তী পোষ্টে আমি সেই ইনফরমেশনটা দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি। তাই অবশ্যই কমেন্ট করবেন আপনাদের ফিডব্যাক গুলো দিবেন এগুলো দিলে আপনাদের জন্য বেটার হবে কারণ এই রিলেটেড আমি বিভিন্ন আর্টিকেল বা কনটেন্ট আপনাদের জন্য তৈরি করতে পারব।

আপনি যদি অনলাইনে আর্নিং করতে চান আপনার যদি অনলাইনে ব্লগিং অথবা ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইট অথবা ব্লগে প্রতিনিয়ত ভিজিট করতে থাকুন।
আমরা প্রত্যেকটি বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করব যাতে করে আপনাদের বুঝতে সহজ হবে।
এতক্ষণ মনোযোগ দিয়ে পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ………

Search Related things for others people.

অনলাইন আর্নিং,অনলাইন আর্নিং সাইট,অনলাইন আর্নিং এপস,অনলাইন আর্নিং অ্যাপ,অনলাইন আর্নিং বাংলাদেশ,online earning,online earning apps,online earning money,online earning uk,uk online earning,online earning কি,অনলাইন আর্নিং কি,online earning.com,অনলাইন এ কাজ,online earning no investment,online earning no invest,online earning bd,online learning,online earning 100,online earning after 12th,online earning top 10,online earning 2020,online earning 2019,online earning app 2020,online earning apps 2020,online earning bd 2019,online earning site 2020,online earning apps 2019,online earning website 2020,online 4 earning,

Leave a Comment